গত বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন পাকিস্তানি উইকেটরক্ষক-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। দলকে সেমিফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।
তবে শেষ চারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগেরদিন অসুস্থ হয়ে পড়েন ২৯ বছর বয়সী তারকা। রিজওয়ানকে আইসিউতে ভর্তি করতে হয়েছিল। কিন্তু দলের প্রয়োজনে হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকতে পারেননি তিনি।
সেমিতে অজিদের বিপক্ষে হারলেও ফিফটি করেন রিজওয়ান। তার এমন খেলোয়াড়ী মনোভাব প্রশংসা কুড়িয়েছিল সবার। তবে এবার এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তার চিকিৎসক।
হাসপাতালে সে সময় রিজওয়ান যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন তিনি জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগে ফুসফুসে মারাত্মক সংক্রমণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে ‘নিষিদ্ধ ওষুধ’ দেওয়া হয়েছিল। এমনটা যদি হয় তবে ক্যারিয়ার হুমকির মুখে রিজওয়ানের। অবশ্য চিকিৎসক আরও জানান, আইসিসির অনুমতি নিয়ে তাকে সেই নিষিদ্ধ ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল।
রিজওয়ানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানি চিকিৎসক নাজিবুল্লাহ সুমরো বলেন, ‘তুমি নিশ্বাস নিতে পারছিলে না। আমি তোমার সুস্থতার জন্য আইসিসির অনুমতি নিয়ে তোমাকে ওষুধ দিয়েছিলাম। সাধারণত, এই ওষুধ অ্যাথলেটদের জন্য নিষিদ্ধ। তবে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না। এই ওষুধ দেওয়ার জন্য আমরা আইসিসির অনুমতি নিয়েছিলাম।’
সেমিতে অজিদের বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় পাকিস্তান। ম্যাচটিতে ৬৭ রান করেন রিজওয়ান। এর আগে টুর্নামেন্টে তার রান— ৭৯, ৩৩, ৮ ও ৭৯।
এমনিতে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়ানোর দুর্নাম আছে। রিজওয়ানের এই ঘটনা তেমন নয় তো!
