সবার আগে আশ্বস্ত করতে চাই এই লেখাটির শ^শুর-শাশুড়ি বাস্তবের শ্বশুর-শাশুড়ি হলেও বাংলাদেশের হাল কিংবা সাবেক কোনো রেলমন্ত্রীর নয়। কাজেই শিরোনাম দেখেই আগাম বিব্রত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
কারণ শ্বশুর সাহেবের নাম শিব প্রসাদ চৌধুরী এবং শাশুড়ি জগোমাতা দেবী। তাদের কন্যা সূত্রে উভয়েই জামাতা লালু প্রসাদ যাদবকে ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী হিসেবে পেয়েছেন। জামাতা এবং কন্যা উভয়েই বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর আসন অলঙ্কৃত করেছেন।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ শিব প্রসাদ চৌধুরী এবং জগোমাতা দেবী মুজাফফরপুর-নয়া দিল্লি ক্রান্তি এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে বসলেন। তারা উঠেছিলেন বিহারের দ্বারভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে। বগিটা ছিল শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ফার্স্ট ক্লাস। এমন নয় যে তারা এমন বগিতে সফর করে অভ্যস্ত। জামাতার পার্টির লোকজন এবং রেলের স্থানীয় কর্মচারীরা বেশ সমীহ করে তাদের আরামদায়ক বগিটিতে বসিয়ে গেছেন। ছাপড়া স্টেশনে গাড়ি থামলে ইন্ডিয়ান স্টার্ন সেন্ট্রাল রেলওয়ের টিটিই (ট্র্যাভেলিং টিকিট এক্সামিনার) বগিতে উঠলেন এবং যাত্রীদের টিকিট পরীক্ষা করতে শুরু করলেন। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে ঢুকে শিব প্রসাদের কাছে টিকিট চাইলেন। সম্ভবত শিবও ভাবেননি লালু প্রসাদের মতো মন্ত্রীর শ্বশুরের কাছে টিকিট কেউ চাইতে পারে। জগোমাতা দেবী ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলেন। ততক্ষণে টিটিই জেনে গেছেন বিনা টিকিটে কারা ধরা পড়েছেন। তিনি এটাও জানেন রেলের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তিনিই অপরাধী হয়ে যাবেন। দায়িত্ব অবহেলার দায় বর্তাবে তার ওপর। সুতরাং আইন অনুযায়ী তিনি প্রাপ্য অর্থ দাবি করলেন। তারা বুঝতে পারলেন মন্ত্রী আমার ‘অমুক’ মন্ত্রীর স্ত্রী আমার ‘তমুক’ এসব বললে তাদের এবং তাদের জামাতার মর্যাদাই ক্ষুন্ন হবে। সুতরাং পুরো টাকা দিয়ে তারা গন্তব্যে পৌঁছালেন। এনডিটিভি থেকে শুরু করে সব সংবাদমাধ্যমে সেদিনের বড় খবর রেলমন্ত্রীর শ্বশুর-শাশুড়ি ধরা পড়েছেন, তারা বিনা টিকিটে রেল ভ্রমণ করছিলেন।
রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবকেও ছাড় দেওয়ার কোনো কারণ নেই। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বললেন, ‘‘টিটিই সে বড়ি বীরত্ব কা কাম কিয়া হ্যায়’’ টিটিই বীরের মতো কাজ করেছে। আমার সঙ্গে এই বিনা টিকিটের যাত্রীদের যে সম্পর্ক তা জেনেও তিনি ছাড় দেননি এটাই প্রমাণ করে তিনি ভারতীয় রেলওয়ের গৌরব। তিনি আরও বললেন, ‘‘কানুন সব কো লিয়ে একই হ্যায়’’ আইন সবার জন্য সমান। ‘‘এই টিটিই-র কাজটি প্রমাণ করে ন্যায়বিচারের সংস্কৃতি গড়ে উঠছে।’’
লালু প্রসাদ ধোয়া তুলসীপাতা ছিলেন না। গো-খাদ্য আমদানি কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী অবস্থায় গ্রেপ্তার হয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। কিন্তু তিনি রেলওয়ে প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছেন। তাকে নিয়ে সে সময় মুখে মুখে যে ছড়াটি প্রচলিত ছিল তা হচ্ছে : ‘‘যব তক রাহেগা সমুসা মে আলু/তব তক রাহেগা বিহার সে লালু।’’
পঞ্চাশের দশকে নেহরু মন্ত্রিসভায় কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী ছিলেন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। ১৯৫৬ সালে অন্ধ্রপ্রদেশের মাহবুব নগরে একটি রেল দুর্ঘটনার পর শাস্ত্রী পদত্যাগপত্র দাখিল করেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান; এর মধ্যে তামিলনাড়ুর আরিয়ালুরে আর একটি দুর্ঘটনা ঘটলে তিনি নেহরুকে লেখেন দুর্ঘটনার দায় নিয়ে আমাকে নীরবে সরকার থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ দিন। নেহরু যখন রাজি হলেন শাস্ত্রীভক্ত একদল এমপি নেহরুকে অনুরোধ করলেন এমন মানুষকে বিদায় করা ঠিক হবে না। কিন্তু শাস্ত্রী চলেই যাবেন।
কেবল ভারতের নয় পৃথিবীতেই মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগের ইতিহাসে শাস্ত্রী হলেন ‘গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড’। রেল দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশের একজন রেলমন্ত্রীকে শাস্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন : ‘‘আমি কি ট্রেন চালিয়েছি নাকি? ড্রাইভার নাকি?’’ লঞ্চ দুর্ঘটনায় শত শত নিহত হওয়ার পর এমন জবাবই নৌপরিবহনমন্ত্রীর কাছ থেকেও শোনা গেছে। এটা হচ্ছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড। কালো বিড়াল কাহিনী বাংলাদেশেরই। এটাও বাংলাদেশের স্ট্যান্ডার্ড।
শুধু লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর গোল্ড স্ট্যান্ডার্ডই নয়, ভারতে সিলভার ও ব্রোঞ্জ স্ট্যান্ডার্ডও স্থাপন করেছেন সে দেশের কজন রেলমন্ত্রী। ১৯৯৯ সালের আগস্টে আসামে রেলওয়ে দুর্ঘটনার পর এই দায় নিজের কাঁধে নিয়ে রেলমন্ত্রী নীতিশ কুমার পদত্যাগ করেন। নীতিশ এখন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। ২০০০ সালে দুটি ট্রেন দুর্ঘটনার পর নৈতিকতার প্রশ্নে প্রথম নারী রেলমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি পদত্যাগপত্র পেশ করেন, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি তা গ্রহণ করেননি। ২০১৭ সালের আগস্টে উত্তর প্রদেশে চার দিনে দুটি দুর্ঘটনা ঘটার পর রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু পদত্যাগপত্র দাখিল করেন। ‘পূর্ণ নৈতিক দায়ভার’ গ্রহণ করে পদত্যাগ করলে পীযূষ গয়াল তার স্থলাভিষিক্ত হন।
এসব প্রসঙ্গের অবতারণা কেন করছি মন্ত্রণালয়ের যেকোনো ধরনের ব্যর্থতায় পদত্যাগে উৎসাহিত করতে?
মোটেও না, আমাদের মন্ত্রিত্বের যে উত্তরাধিকার তাতে মন্ত্রী হওয়া বা মন্ত্রী হয়ে টিকে থাকার সঙ্গে ব্যর্থতা বা সাফল্যের তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। মন্ত্রীর আচরণে সরকার প্রধান যদি অসন্তুষ্ট হন, তাহলে তার দফারফা হয়ে যাবে। ব্যক্তিগত ইমেজ ও মুরোদে দাঁড়ানোর মতো মন্ত্রী বলতে গেলে ছিলই না। এখন তো নেই-ই। সুতরাং পদত্যাগপত্র পাঠানো মাত্রই যদি গৃহীত হয়ে যায় তাহলে তো সাম্রাজ্যহারা হয়ে যাবেন। তারা শাস্ত্রী কিংবা মমতাও নন। সুতরাং পদত্যাগের ঝুঁকি কখনোই নেবেন না।
ঘটনাটির এক বাক্যের সারসংক্ষেপ হচ্ছে : রেলমন্ত্রীর শ্বশুরবাড়ির তিন তরুণ আত্মীয় বিনা টিকিটে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত রেলওয়ে বগিতে সফরকালে ধরা পড়েন টিটিইর হাতে, সেই টিটিইকে প্রায় তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়। এমনও তো হতে পারত সেই তিন তরুণ (যাদের দুজন সম্পর্কে শালা এবং একজন ভাগনে) টিটিইকে আটকে তার পকেটে মাদক ঢুকিয়ে কিংবা গুলির খোসা ঢুকিয়ে মাদক বা অস্ত্র আইনে গ্রেপ্তার করাতে পারত। কিন্তু তারা উদারতা দেখিয়েছে। বিষয়টি কেবল মন্ত্রীর স্ত্রীকে জানিয়েছে (জুন মাসে মন্ত্রী ও তার স্ত্রী তাদের প্রথম বিয়েবার্ষিকী উদযাপন করতে যাচ্ছেন)।
আত্মীয়তার সূত্রে মন্ত্রীর জ্যাঠাশ ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘ঘটনার পর রেলমন্ত্রী আমাদের চেনেন না বলায় কষ্ট পেয়েছিলাম। দুপুর ১টার দিকে তিনি (রেলমন্ত্রী) নিজেই ফোন দিয়েছিলেন।’ তিনি বলেছেন, ‘আপা আমি যা বলেছি, এতে মন খারাপ করবেন না। জনগণ সবাই আমার কাছে সমান। তাই বলেছি। বিষয়টা আমি দেখছি।’ (প্রথম আলো ৮. ৫. ২০২২)। পরদিন (৮ মে ২০২২) বিভিন্ন মাধ্যমে যেসব সংবাদ এসেছে তাতে মন্ত্রী অবশ্যই বেনিফিট অব ডাউটের সুফলটা তিনি পেতে পারেন। দুটি বিষয় প্রতিষ্ঠিত : মন্ত্রীর স্ত্রী কমান্ড করতে জানেন এবং অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে তার কমান্ড প্রতিপালিত হয়। রেলওয়েকে অথর্ব প্রতিষ্ঠানের বদনাম থেকে তিনিই টেনে তুলতে পারবেন। টিটিই শীতাতপনিয়ন্ত্রিত বগির যাত্রীর কাছ থেকে শোভন শ্রেণির ভাড়া আদায় করে রাষ্ট্রের ক্ষতি করেছেন, রেলওয়ে আইন ভঙ্গ করেছেন। এই অপরাধে তিনি বরখাস্ত হয়ে থাকলে তা ঠিকই আছে।
সমাধান : টেকনাফের বিতর্কিত এমপির স্ত্রীকে যেমন এমপি করা হয়েছে, রেলওয়েতেও দুর্জনের কারণে বিব্রত সুজনের পরিবর্তে তার স্ত্রীকে মন্ত্রী করা হোক; সুফল ফলবে।
***
এবার নিতান্তই লঘু বিষয়, শ্বশুর-শাশুড়িবিষয়ক লেখাটি পড়ে কোনো রেলমন্ত্রী যদি তার স্ত্রীকে তার বাবা-মার ব্যাপারে সতর্ক হতে বলেন তাহলে তার খবর হয়ে যাবে। কীসের ড্যাশ ড্যাশ মন্ত্রী হয়েছো, তোমার নাম করে যদি আমার বাবা-মা রেলের একটা এয়ার কন্ডিশনড বগিতে ঢুকতেই না পারেন তোমার মন্ত্রিত্বের (হুমায়ূন আহমেদের ভাষায়) খেতাপুরি। মন্ত্রিত্ব কী? কতদূর পর্যন্ত এর ক্ষমতা বিস্তৃত? মন্ত্রী চাইলে কী করতে পারেন নিজস্ব ন্যায়-অন্যায় বোধ থেকেই লালু প্রসাদ যাদব ঠিক করে নিয়েছেন অন্যায়টা করেছেন শ্বশুর-শাশুড়ি দুজনে, টিটিইর চাকরি খাওয়ার বাহাদুরিটা দেখিয়ে আখেরে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হবে বেশি। লালুর কাছ থেকে ভারত কিছু শিক্ষা নিলেও প্রতিবেশী বাংলাদেশের লালুর যারা কাউন্টারপার্ট তারা শিক্ষা নেননি। না নেওয়ারই কথা। সুতরাং মন্ত্রীর ইঙ্গিতে হোক কিংবা মন্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে উদগ্রীব রেলওয়ের বড় মাপের কর্তার নির্দেশেই হোক বগি থেকে জানালা পথে টিটিইকেই নিক্ষেপ করা হয়েছে।
ক’বছর লন্ডনের টিউব ও ট্রেনে প্রায় নিত্যদিন সফর করার সময় যে গল্পটা শুনেছি সেটিই শুনিয়ে দিই :
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জার্মানির বিরুদ্ধে লড়াই করে আহত ও ক্লান্ত এক আমেরিকান সৈনিক শেষ পর্যন্ত বিশ্রাম ও সুস্থতার জন্য ছুটি পেল এবং দ্রুত লন্ডনগামী ট্রেনে উঠল। ট্রেনে ভিড়। ক্লান্ত ও আহত সৈনিক ট্রেনের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পা টেনে টেনে গেল। কোনো সিট চোখে পড়ল না। তবে একজন মধ্যবয়সী ইংরেজ নারীর সামনের সিটে একটি কুকুর ছানা বসে আছে। ক্লান্ত সৈনিক বিনয়ের সঙ্গে বলল, ম্যাডাম আমি কি এখানে বসতে পারি? ইংরেজ মহিলা কড়া চোখে সৈনিকের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘তোমরা আমেরিকানরা এমন বর্বর কেন? দেখছো না আমার ছোট্ট সোনা সিটটা ব্যবহার করছে।’ সৈনিক আবার ট্রেনে একটা চক্কর দিল। আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না। ওই সিট ছাড়া কোথাও বসার জায়গা নেই। বিনয়ের সঙ্গে বলল, ‘ম্যাডাম আমি খুব ক্লান্ত, অনুগ্রহ করে আমাকে বসতে দিন।’ এবার ইংরেজ নারী ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন, ‘তোমরা আমেরিকানরা শুধু বর্বর নও, তোমরা উদ্ধতও। আশ্চর্য!’ সৈনিক আর কিছু বলল না। কিছুক্ষণ ঝিম মেরে থেকে কুকুর ছানাটাকে তুলে নিয়ে জানালা দিয়ে নিক্ষেপ করল। ইংরেজ মহিলা এমন চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করল যেন সৈনিক তাকে ধর্ষণ করতে যাচ্ছে। এ সময় বসে থাকা এক ইংরেজ সাহেব মুখ খুললেন ‘তোমরা আমেরিকানরা সব কাজই ভুল করো। ভুল হাতে কাঁটা চামচ ধরো। রংসাইড দিয়ে গাড়ি চালাও আর যেটাকে নিক্ষেপ করা দরকার সেটাকে নিক্ষেপ না করে ভুল কুকুরীকে জানালা দিয়ে নিক্ষেপ করো।’
পুলিশে সোপর্দ করা উচিত ছিল মন্ত্রীর প্রকৃত হোক কি কথিত হোক, দাবিকৃত আত্মীয়দের। আপাতত এর ওপর আর যেতে চাচ্ছি না। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল নাকি কোনো কোনো কারণে মন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়েছে। কেমন করে একমত হই! রাষ্ট্রের কাছে মানসম্মানের চেয়ে শ্বশুরবাড়িতে মানসম্মান অনেক বড়। পদত্যাগ করলে ক্ষতি পুষিয়ে দিতে মন্ত্রী-স্ত্রীকে মন্ত্রিত্ব দিতে হবে।
একটি নির্দোষ বিলেতি রেলওয়ে গপ্পো : রেলমন্ত্রী ও রেলের মহাপরিচালক প্রচুর মদ্যপান করে প্যাডিংটনের কাছে রেললাইনের ওপর দিয়ে হাঁটছেন। মহাপরিচালক বললেন, মিস্টার মিনিস্টার এত বেশি সিঁড়ি দেখতে পাচ্ছি কেন? মন্ত্রী বললেন, সিঁড়ি বেশিই থাকে। কিন্তু সিঁড়ির দুপাশের রেলিং এত নিচে কেন? আমি তো মাথা নুয়েও ধরতে পারছি না। মহাপরিচালক বললেন, মিস্টার মিনিস্টার, রেলওয়ে এমনই, মন্ত্রীকে অনেক নিচে নামিয়ে আনে। মাথা রেললাইনে ঠেকেছে, আর কত?
লেখক : সরকারের সাবেক কর্মকর্তা ও কলামনিস্ট
