নতুন প্রেসিডেন্টের অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কা

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২২, ০২:৩৪ এএম

‘আমরা আজ খুব খুশি। কারণ গোতাবায়া রাজাপাকসে বিদায় নিয়েছে। আমরা মনে করি যে, যখন আমরা সাধারণ মানুষরা ঐক্যবদ্ধ হই তখন সবকিছু করতে পারি।’ নজিরবিহীন গণবিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া  রাজাপাকসের পদত্যাগের পর এভাবেই নিজের অনুভূতি জানালেন স্কুলশিক্ষক অরুণানন্দন (৩৪)। তিনি গত তিন মাস ধরে দেশটির রাজধানী কলম্বোতে অন্যদের সঙ্গে বিক্ষোভ করে আসছিলেন।

গতকাল শুক্রবার শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্টের স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্ধনে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে বলে ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে রাজাপাকসে পরিবারের দুই দশকের শাসনের অবসান হলো। একইদিন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন গোতাবায়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। একইদিন স্পিকার জানান, আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে। খবর শ্রীলঙ্কার ডেইলি মিরর, বিবিসি ও রয়টার্সের।

গোতাবায়ার পদত্যাগ : চরম অর্থনৈতিক দুর্দশার মধ্যে গত মার্চ থেকে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে শ্রীলঙ্কার জনগণ। গণবিক্ষোভের মুখে মে মাসে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন মাহিন্দা রাজাপাকসে। প্রধানমন্ত্রী করা হয় রাজাপাকসে পরিবারের ঘনিষ্ঠ রনিলকে। কিন্তু কোনোভাবেই বিক্ষোভকারীদের শান্ত করা যাচ্ছিল না। তারা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া ও প্রধানমন্ত্রী দুজনের পদত্যাগ দাবি করে আসছিল। তাদের সরকার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ¦ালানি সংকট নিরসন করতে ব্যর্থ হয়। এমন অবস্থায় গত ৯ জুলাই বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ দখল করে। তারা প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বাসভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে গোতাবায়া দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। প্রথম দফায় গত সোমবার বন্দরনায়েক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভিবাসন কর্মকর্তা তাকে আটকে দেন। এরপর তিনি বিমানবন্দরের কাছে সামরিক ঘাঁটিতে আশ্রয় নেন। পরদিন মঙ্গলবার রাতে সামরিক বাহিনীর একটি উড়োজাহাজে করে মালদ্বীপ পালিয়ে যান। বুধবার এ খবর বের হলে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসে। জারি করা হয় জরুরি অবস্থা, দেওয়া হয় কারফিউ। তারপরও বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের দিকে রওনা হয়। তারা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর দখল করে নেয়। গোতাবায়া দেশ ছেড়ে পালানোর আগে প্রধানমন্ত্রীকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দিয়ে যান। যদিও বুধবার তাদের দুজনই পদত্যাগ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। বিক্ষোভ দমনে ওইদিন প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীকে যা যা দরকার তাই করার নির্দেশ দেন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিক্ষোভকারীদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে হটিয়ে দিতে ব্যাপক কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হয় একজন। এছাড়া প্রায় একশ বিক্ষোভকারী আহত হয়। সেনাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ছিনিয়ে নেওয়া হয় দুটি অস্ত্র।

গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া সৌদি এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে মালদ্বীপ ছেড়ে সিঙ্গাপুর চলে যান। সেখান থেকে তার অন্য কোনো দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর পর প্রেসিডেন্ট তার পদত্যাগপত্র ই-মেইলে স্পিকারকে পাঠান। ওইদিন দুপুরে আবার কারফিউ জারি করা হয়। সেনাবাহিনী বিবৃতি দিয়ে বিক্ষোভ দমনে বলপ্রয়োগের হুঁশিয়ারি দেয়। রাতে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগপত্র পাঠানোর খবর পেয়ে কারফিউর মধ্যে উল্লাসে ফেটে পড়ে বিক্ষোভকারীরা। স্পিকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, পদত্যাগপত্রের মূল কপি পাওয়া সাপেক্ষে পরদিন এ বিষয়টি জানানো হবে। এছাড়া এভাবেই পদত্যাগপত্র পাঠানোর আইনগত বৈধতা যাচাই করবেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা। গতকাল স্পিকার জানান, প্রেসিডেন্টের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে।

আগামীকাল পার্লামেন্টকে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার আনুষ্ঠানিক পদত্যাগের বিষয়টি অবহিত করা হবে বলে জানিয়েছেন পার্লামেন্টের মহাসচিব দামিকা দেশানায়েক।

উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া দায়মুক্তিপ্রাপ্ত। সে কারণে গ্রেপ্তার এড়াতে দেশত্যাগের আগে তিনি পদত্যাগ করেননি।

ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের শপথ : গোতাবায়ার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন রনিল বিক্রমাসিংহে। শ্রীলঙ্কার প্রধান বিচারপতি জয়ন্তা জয়সুরিয়া তাকে শপথ পড়ান। শপথ নেওয়ার পর রনিল বিক্রমাসিংহে দেশের জনগণের প্রতি ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন এবং নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সব মহলের সমর্থন চেয়েছেন। তিনি বলেন, ২০ জুলাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পার্লামেন্ট সদস্যরা যাতে ভয়ডরহীনভাবে ও অবাধে ভোট দিতে পারেন সে ব্যবস্থা করা হবে। তিনি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে (আরাগালায়া) কোনো কোনো পক্ষের কর্মকা-কে বিদ্রোহ হিসেবে দেখছেন। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়া ও তাদের ওপর হামলার বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ওই বিদ্রোহী পক্ষ আগামী সপ্তাহের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।

এছাড়া রনিল বিক্রমাসিংহে বিক্ষোভকারীদের দাবি অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমিয়ে পার্লামেন্টের ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট সংশোধনীর পুরো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট সর্বদলীয় সরকার গঠনের লক্ষ্যে সব দলকে সম্মত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অভিলাষ ভুলে যাওয়ার এখনই ভালো সময়। জাতির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে তিনি সব দলের প্রতি আহ্বান জানান।

নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন : পার্লামেন্টের স্পিকার আবেবর্ধনে জানিয়েছেন, আজ শনিবার পার্লামেন্ট অধিবেশন বসবে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী পার্লামেন্টের মাধ্যমে আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। স্পিকার আরও বলেন, নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার আগপর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে এখতিয়ার অনুযায়ী সব দায়িত্ব পালন করবেন।

শ্রীলঙ্কার আইনজীবীদের প্রভাবশালী সংগঠন বার অ্যাসোসিয়েশন দেরি না করে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আহ্বান জানিয়েছে।

সরকারি দল শ্রীলঙ্কা পোদুজানা পেরামুনা (এসএলপিপি) নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটাভুটিতে রনিল বিক্রমাসিংহেকে সমর্থন দেবে বলে জানিয়েছে। গতকাল দলটির মহাসচিব সাগরা কারিয়াবাসাম সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ কথা জানান। ফলে ধরে নেওয়া যায় নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ এসএলপিপির মনোনয়ন পাচ্ছেন রনিল।

পার্লামেন্টে বিক্রমাসিংহের দলের মাত্র একটি আসন থাকলেও গোতাবায়া রাজাপাকসের ভাই বাসিল রাজাপাকসেসহ ক্ষমতাসীন এসএলপিপি দলের একটি অংশ তাকে সমর্থন দিচ্ছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এসএলপিপির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দলের লোকেরা অনুভব করছে শ্রীলঙ্কা যে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ  মোকাবিলা করছে বিক্রমাসিংহে (যিনি দেশটির অর্থমন্ত্রীও) তা ভালোভাবে সামাল দিতে পারবেন। বিক্রমাসিংহে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) বেলআউট প্যাকেজ ও শ্রীলঙ্কার নতুন বাজেট নিয়ে আলোচনায় যুক্ত আছেন।

এদিকে ২২৫ আসনের পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন দল এসএলপিপি সংখ্যাগরিষ্ঠ। তাদের আসন ১১৭টি। ক্ষমতাসীন দলের ভোটে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রনিলই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন। যদি তাই হয়, তাহলে দেশটিতে চলমান বিশৃঙ্খলার অবসান শিগগিরই ঘটবে না। কারণ বিক্ষোভকারীরা রনিল বিক্রমাসিংহেরও পদত্যাগ দাবি করে আসছে। কেননা রনিল রাজাপাকসে পরিবারের ঘনিষ্ঠ। বিক্ষোভকারীরা চায় না শ্রীলঙ্কার ক্ষমতায় ওই পরিবারের কোনোরকম প্রভাব থাকুক।

অন্যদিকে বিরোধী দল এসজেবির পার্লামেন্টারি দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা বিরোধী দল নেতা সাজিথ প্রেমাদাসাকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী করবে। দলের পার্লামেন্ট মেম্বার (এমপি) মুজিবুর রহমান গতকাল ডেইলি মিররকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গতকাল সন্ধ্যায় পার্লামেন্টারি দলের সদস্যরা দীর্ঘ আলোচনার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। এর আগে বিরোধী দলের চিফ হুইপ লক্ষ্মণ কিরেয়েল্লা জানান, তারা সব বিরোধী দলের সমর্থনে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী দিতে চান। কিন্তু পার্লামেন্টে তার দলের সদস্য সংখ্যা মাত্র ৫০ হওয়ায় ভোটে উতরে যেতে তাকে দ্বিদলীয় সমর্থনের জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে পড়াশোনা করা সাজিথ শ্রীলঙ্কার সাবেক প্রেসিডেন্ট রানাসিংহে প্রেমাদাসার ছেলে। ১৯৯৩ সালে এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় রানাসিংহে নিহত হওয়ার পর সাজিথ রাজনীতিতে নামেন। ২০০০ সালে তিনি পার্লামেন্টের সদস্য হন এবং পরে শ্রীলঙ্কার উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে তিনি দেশটির গৃহনির্মাণ ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

এছাড়া জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা দুল্লাস আলাহেপেরোমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত হলেও ক্ষমতাসীন এসএলপিপির জ্যেষ্ঠ এ আইনপ্রণেতা সব হিসাব-নিকাশ উল্টে দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি তার দলের সহকর্মীদের একটি অংশের মধ্যমণি হয়ে উঠেছেন। ক্ষমতাসীনদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আলাহেপেরোমার জন্য ব্যবহার করে তাকে জয়ী করা যেতে পারে বলে মত এসএলপিপির আইনপ্রণেতা চারিথা হেরাথের।

কী বলছে চীন ও ভারত : শ্রীলঙ্কার বর্তমান সংকট নিরসন, ঋণভার লাঘব এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা অব্যাহত রাখতে চীন সংশ্লিষ্ট দেশ ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। গতকাল নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন এ কথা জানান।

এদিকে চীনের কাছ থেকে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা পেতে শ্রীলঙ্কা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ‘কয়েকটি পয়েন্টে’ চীন এ সহায়তা দিতে রাজি হবে বলে আত্মবিশ্বাসী দেশটি। গতকাল চীনে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূতকে উদ্বৃত করে ব্লুমবার্গ এ খবর দিয়েছে।

গণতান্ত্রিক উপায়ে সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির ব্যাপারে যে আকাক্সক্ষা শ্রীলঙ্কার জনগণ পোষণ করে তা বাস্তবে পরিণত করার ক্ষেত্রে তাদের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে ভারত। গতকাল দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, গণতান্ত্রিক ও মূল্যবোধের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কা সরকারের এবং তার নেতৃত্বের বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধানের দিকে তাকিয়ে আছে। ভারত সম্ভাব্য সব উপায়ে শ্রীলঙ্কার জনগণকে তাদের এগিয়ে যাওয়ার পথ খোঁজার চেষ্টায় সমর্থন দেবে।

দুই ভাইয়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা : পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট গোতাবায়ার বড় ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসে ও ছোট ভাই বাসিলকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত দেশ না ছাড়তে বলেছে শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ আদালত। মাহিন্দা সাবেক প্রধানমন্ত্রী আর বাসিল সাবেক অর্থমন্ত্রী। দুর্নীতিবিরোধী গ্রুপ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল শ্রীলঙ্কা গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত