সৌদিতে ঐতিহাসিক মসজিদ পুনরুদ্ধার প্রকল্প

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০২২, ১২:৩৯ এএম

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান দেশটিতে থাকা ঐতিহাসিক মসজিদগুলোকে সংস্কার ও পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ের সূচনা করেছেন। সৌদি প্রেস এজেন্সি এ খবর জানিয়েছে। ঐতিহাসিক মসজিদ সংস্কারের জন্য যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ওই বিশেষ প্রকল্প ২০১৮ সালে ঘোষণা করেছিলেন। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৩০টি মসজিদ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য রয়েছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে ত্রিশটি মসজিদের পুনরুদ্ধারের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মধ্যে ছয়টি রাজধানী রিয়াদে, পবিত্র শহর মক্কা ও মদিনায় যথাক্রমে পাঁচটি এবং চারটি মসজিদ।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, ‘মসজিদের আসল পরিচয় রক্ষা করার জন্য সৌদি প্রকৌশলীদের জড়িত করার ওপর জোর দিয়ে ঐতিহাসিক ভবনগুলো পুনরুদ্ধারে বিশেষজ্ঞ কোম্পানিগুলোকে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।’ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি ৩৩ লাখ ডলারের বেশি ব্যয়ে ত্রিশটি মসজিদ পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল। পুনরুদ্ধার করা প্রাচীনতম মসজিদটি ১ হাজার ৪৩২ বছর আগের বলে জানা গেছে।

ওই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত ঐতিহাসিক মসজিদগুলোর মধ্যে জুমা এবং কিবলাতাইন মসজিদও ছিল। যা নবী মুহাম্মদ (সা.) কর্র্তৃক নির্মিত। অন্য মসজিদগুলোর বেশির ভাগই সাহাবি কর্র্তৃক নির্মিত।

প্রকল্পটি উচ্চাভিলাষী। তবে ঐতিহাসিক মসজিদ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সৌদি সরকারকে সমালোচনা থেকে বাঁচাতে পারছে না। কারণ, সৌদি সরকারকে দেশটির ৯৮ শতাংশেরও বেশি ইসলামিক ঐতিহ্য ধ্বংসের জন্য দায়ী করা হয়। বিভিন্ন মুসলিম সংগঠনের সমালোচনা সত্ত্বেও মক্কা-মদিনায় মসজিদ সম্প্রসারণ এবং বিলাসবহুল হোটেল ও অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাঠামোর জন্য ইসলামি ঐতিহ্য ধ্বংস কোনোভাবেই কাম্য নয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত