ব্লু-ইকোনমি

ধরাছোঁয়ার বাইরে তেল ও গ্যাসের মতো সমুদ্রসম্পদ

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২২, ১১:০৮ পিএম

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার আয়তন মোট ৬৬৪ কিলোমিটার, কিন্তু মাছ আহরণ করা হয় মাত্র ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে। ২০১২ সালে সাগরের সীমানায় মালিকানা প্রতিষ্ঠা হলেও, এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে তেল, গ্যাসসহ সামুদ্রিক সম্পদগুলো। গতকাল ‘ব্লু ইকোনমি : বাংলাদেশ পার্সপেক্টিভ ইকোনমিক এঙ্গেজমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ বিষয়ক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম বলেন, সাগরের সীমানায় মালিকানা প্রতিষ্ঠা হলেও, এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে তেল, গ্যাসসহ সামুদ্রিক সম্পদগুলো। অথচ বাংলাদেশের সমুদ্র ব্লকের পাশেই মিয়ানমার আরও আগেই খনিজসম্পদ উত্তোলন শুরু করেছে।

তিনি  আরও বলেন, শুধু মাছ কিংবা খনিজসম্পদ নয়, নিজেদের সীমানার সাগরকে ব্যবহার করে পাল্টে দেওয়া যেতে পারে বাংলাদেশের পুরো অর্থনীতির চিত্র। সমুদ্র অর্থনীতিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন, জাহাজশিল্প, গভীর সাগরে মাছ ধরার উপযোগী জাহাজ নির্মাণ, কনটেইনার, ওষুধ, প্রসাধনীসহ নানা শিল্প বিকশিত হতে পারে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের যে সমুদ্রসীমা আছে তা মূল ভূখ-ের ৮১ ভাগের সমান। পুরো বিশে^ আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে দেড় লাখ জাহাজ চলাচল করে, সেখানে বাংলাদেশের জাহাজ মাত্র ৭০টি। অথচ এই পথে পণ্য পরিবহনের অর্থনীতির আকার ৯০০ কোটি ডলার। এ ছাড়া কনটেইনার নির্মাণেও বাংলাদেশের সম্ভাবনা রয়েছে। ৭৪ শতাংশ কনটেইনার ব্যবহার হয় এশিয়া অঞ্চলে। প্রতি বছর ১৫ শতাংশ হারে বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।

এমসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি নীতি-নির্ধারকদের নীতি তৈরির ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গ্রহণ করতে বলেন। এ সময় তিনি মৎস্য আহরণ, জাহাজশিল্পের সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত