স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহত: ওসিসহ ৩৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২২, ০৫:৩২ পিএম

ভোলায় পুলিশ ও বিএনপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিম নিহতের ঘটনায় ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আরমান হোসেনসহ ৩৬ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ আগস্ট) দুপুরে আবদুর রহিমের স্ত্রী খাদিজা বেগম ভোলা ‍চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ভোলা সদর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) আগামী ৮ আগস্টের মধ্যে এ মামলার সকল নথিপত্র আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলী হায়দার কামাল এ নির্দেশ প্রদান করেন।

এদিকে, ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলমের মৃত্যুর ঘটনায় বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল অর্ধ দিবসেই প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সংবাদ সম্মেলনে জনদুর্ভোগের কথা উল্লেখ্য করে হরতাল প্রত্যাহারের ঘোষণা করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এসময় তিনি বলেন, পুলিশের হামলায় নিহত ও আহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে। সরকারের নির্দেশে যদি পুলিশ গুলি না চালায়, তাহলে সরকারের উচিত হবে তাদের শাস্তির আওতায় আনা। বুধবার (০৩ আগস্ট) চট্রগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সমালোচনা করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিএনপি লাশের রাজনীতি করে না। বরং আওয়ামী লীগই লাশের রাজনীতি করে। আগস্ট মাসকে তারা (আওয়ামী লীগ) বলে শোকের মাস। আর সেই মাস শুরু করেছে আব্দুর রহিম- নুরে আলমের রক্ত দিয়ে। তারা (আওয়ামী লীগ) বলে কাঁদো বাঙালি কাঁদো। বাঙালি কাঁদবে না তাই কাঁদালো। 

আব্দুর রহিম-নুরে আলমের লাশ উপহার দিয়ে সরকার শুধু ভোলাবাসীকে কাঁদায়নি, সারা দেশের মানুষকে কাঁদিয়েছে। বর্তমানে জেলা বিএনপির কোনো কর্মসূচি নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত