শিক্ষককে মারধর করায় অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২২, ১২:২৯ এএম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে জামালুর রহমান খান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজের এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে অধ্যক্ষের অপসারণ চেয়ে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল শনিবার শিক্ষার্থীরা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ বিক্ষোভ করেন।

জানা গেছে, কলেজের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রস্তুত করে মাসিক অডিট কমিটির কাছে দাখিলের দায়িত্ব দেন হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক মো. নুর হোসাইনকে। তিনি দায়িত্ব পালনের জন্য প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আবদুল মোমিনের কাছে ২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছাত্রভর্তি, বিদায়ী সনদসহ বিভিন্ন আয়-ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার অনুরোধ করেন। গত বৃহস্পতিবার অধ্যক্ষ আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়-ছয় করে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ওই প্রভাষকের কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করতে চান। প্রভাষক নুর হোসাইন আয়-ব্যয়ে গরমিল থাকায় স্বাক্ষর করতে অপারগতা জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অন্যান্য শিক্ষকের উপস্থিতিতেই প্রভাষক নুর হোসাইনকে চড়-থাপ্পড় মারেন অধ্যক্ষ। একপর্যায়ে জুতাপেটা করার হুমকি দেন।

এ ঘটনায় অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করে গতকাল শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন ও বিক্ষোভ করে। অধ্যক্ষের হাতে শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন তারা।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থামাতে উপজেলা অ্যাকাডেমিক সুপারভাইজর বিপিন চন্দ্র রায়, দোহাজারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রবিউল ইসলাম, দোহাজারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষ্ণুযশা চক্রবর্তীসহ কলেজের শিক্ষকরা ছুটে যান। পরে তাদের বুঝিয়ে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জানতে চাইলে কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল মোমিন প্রভাষককে লাঞ্ছিত করার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘তার সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত