দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে চালের আমদানি শুল্ক ২৫ ভাগ থেকে কমিয়ে ৫ ভাগ নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করলেও কাগজপত্রের জটিলতার কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর থেকে চাল খালাস নিতে পারছেন না বন্দরের আমদানিকারকরা। ফলে হিলিতে বন্ধ রয়েছে চাল খালাস।
হিলি স্থলবন্দরের চাল আমদানিকারক দিনেশ পোদ্দার বলেন, ডলারের মূল্য ও ভারতে দাম বেশি হওয়ায় আমদানি করা চালের দাম দেশের চেয়ে বেশি পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে লোকসানের শঙ্কায় খালাস বন্ধ রেখেছিলাম। সরকার শুল্ক কমানোর ফলে ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু বিল অব এন্ট্রি নিয়ে জটিলতার কারণে চাল খালাস করা যাচ্ছে না। ২৭১টি ট্রাক আমদানি করা চাল নিয়ে বন্দরে আটকা পড়েছে।
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা জানিয়েছেন, চালের আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে গতকাল সকাল থেকেই চালের বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করার জন্য কাস্টমসে গেলেও এন্ট্রি দেওয়া যাচ্ছে না। কাস্টমস কর্মকর্তারা আমদানিকালীন সময়ে চালের যে শুল্ক ছিল, তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এ কারণে কেউ বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করছেন না। এ কারণে চাল আমদানির ২৯টি চালান আটকা পড়েছে। এদিকে কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, কাস্টমসের নতুন উপকমিশনার এখনো যোগ না দেওয়ায় রাজস্ব কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না, যার কারণে চালের বিল অব এন্ট্রি সাবমিট কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
