নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে আমগাছে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার মোশারফ হোসেন আত্মহত্যা করেননি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের ৭১ দিন পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেয়ে মোশারফ নিহতের ঘটনায় দায়েরকৃত অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজ হাওলাদার।
জানা গেছে, চলতি বছরের ২৯ জুন সকালে মোশারফ হোসেনের (২৮) ঝুলন্ত মরদেহ চালাকচর গ্রামের লৌঘার চকের চিউর গাছতলা নামক স্থানে একটি আমগাছের ডাল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ। ঘটনার দুই মাস ৯ দিন পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনা হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করে নিহতের বড় ভাই মনজুর বাদী হয়ে ৬ সেপ্টেম্বর রাতে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২৮ জুন বিকেল ৪টার দিকে মামলার বাদীর ভাই মোশারফ বাড়ি থেকে ঘুরতে যাওয়ার নাম করে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরদিন ২৯ জুন সকালে বাড়ির সামনে আমগাছের উঁচু ডালের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় মোশারফকে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে। ওই সময় আড়াইহাজার থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের ডাক্তার শেখ ফরহাদ মোশারফকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রতিবেদন দেন। ফলে ৬ সেপ্টেম্বর রাতে আড়াইহাজার থানায় দায়েরকৃত অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।
এ ব্যাপারে আড়াইহাজার থানার ওসি আজিজুল হক হাওলাদার বলেন, ঘটনাটি সন্দেহজন ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য পুলিশ অপেক্ষায় ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নিয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
