দেশে এক মামলায় পিকে হালদারের বিচার শুরু

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:২২ এএম

আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পিকে হালদার) ১৪ জনের বিরুদ্ধে ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে প্রায় ছয় হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের মামলায় অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে অভিযোগ গঠন করে। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বর্তমানে ভারতের কারাগারে থাকা পিকে হালদারের বিচার শুরু হলো দেশে।

গত ৭ জুলাই এই মামলার পলাতক ১০ আসামির গড়হাজিরার গেজেট বিজ্ঞপ্তির কপি আদালতে দাখিল করা হয়। এরপর ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ বদলির আদেশ দেন।

মামলার ১৪ আসামির মধ্যে পলাতক ৯জন হলেন পিকে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

কারাগারে থাকা চার আসামি হলেন পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধা।

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পিকে হালদারের নামে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পিকে হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। পিকে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে প্রায় এক কোটি ১৭ লাখ কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশটিতে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

গত১৪ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে কয়েকজন সহযোগীসহ পিকে হালদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে নামে-বেনামে নানা আর্থিক প্রতিষ্ঠান খুলে হাজার-কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগে ইতিমধ্যে দেশে ৩০টির বেশি মামলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত