স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১০ এএম

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেনকে (২৭) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলা শহরের মাঠপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পূর্ব বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ইমরান উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে। তিনি পেশায় ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন থেকে এলাকায় কয়েকজনের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। এর মধ্যে গতকাল  সকাল ১১টার দিকে পেশাগত কাজে তিনি শহরের মাঠপাড়ায় যান। সেখানে হঠাৎ দুজন এসে তার পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আলমডাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে বেলা ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক ওবাইদুর রহমান  চৌধুরী জিপু বলেন, ইমরান আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে একনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। যারা রাজনীতির নামে অপকর্ম করে থাকে তারাই তাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত কারণ বের করার আহ্বান জানাই।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব বিরোধের জেরেই হত্যাকা- হয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

খুলনায় যুবককে কুপিয়ে হত্যা : খুলনায় মাছ বিক্রেতা এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম ইয়াছিন আরাফাত (২০)। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর বানিয়াখামার এলাকার ৩ নম্বর কাশেম সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

আরাফাত পেশায় একজন মাছ বিক্রেতা ছিলেন। তার বাড়ি বাগেরহাট মোরেলগঞ্জের সোনাখাল গ্রামে। তিনি খুলনায় মামার সঙ্গে ভাড়া থাকতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাছ বিক্রেতা ইয়াছিন নগরীর ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজারে মাছ বিক্রি করত। শুক্রবার সে নগরীর পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার ৩ নম্বর কাশেম সড়কে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে যায়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে আসে। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার বুকের ওপর তিনটি আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

খুলনা থানার ওসি হাসান আল মামুন বলেন, হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত