বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২২, ১১:৪১ এএম

কৃষিতে বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক পেয়েছেন ৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। 

এ উপলক্ষে বুধবার (২৭ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার তুলে দেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। 

এসময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী।

জানা গেছে, পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে তিনটি স্বর্ণ, ১৬টি রৌপ্য ও ২৫টি ব্রোঞ্জ পদক দেওয়া হয়। এছাড়া বিজয়ীদের সনদপত্র, পদক, নগদ টাকা দেওয়া হয়। স্বর্ণপদকপ্রাপ্তরা এক লাখ টাকা, রৌপ্যপদকপ্রাপ্তরা ৫০ হাজার টাকা ও ব্রোজপ্রাপ্তরা ২৫ হাজার টাকা করে পান। 

১৪২৫ বঙ্গাব্দের জন্য ১৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার দেওয়া হয়। স্বর্ণপদক- (১ জন) কৃষি উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধকরণ প্রকাশনা ও প্রচারণামূলক কাজে স্বর্ণপদক পান বগুড়ার শেরপুরের প্রাণিসম্পদ দফতরের ভেটেনারি সার্জন ডা. মো. রায়হান ।

রৌপ্যপদক- (৭ জন) পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন/ব্যবহার ক্যাটাগরিতে রৌপ্য পদক পেয়েছেন পিরোজপুরের নাজিরপুরের মো . বদরুল হায়দার বেপারী। এ ক্যাটাগরিতে রৌপ্য পদক পেয়েছেন কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. হামিদুল হক, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে কৃষিতে নারীর অবদানের ক্ষেত্রে রৌপ্যপদক পেয়েছেন ঝিনাইদহ সদরের শারমিন আক্তার, প্রতিষ্ঠান/সমবায়/কৃষক পর্যায়ে উচ্চমানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরণ ও নার্সারি স্থাপনে অবদানের জন্য রৌপ্যপদক পাচ্ছেন পাবনার আটঘরিয়ার মো. দুলাল মৃধা।

বাণিজ্যিকভিত্তিক খামার স্থাপনে রৌপ্যপদক পান সাভারের মো. কোব্বাদ হোসাইন ও রাজশাহীর গোদাগাড়ির মো. মনিরুজ্জামান মনির। প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন প্যারামাউন্ট এগ্রো লিমিটেড (রৌপ্যপদক)।

ব্রোঞ্জপদক (৭ জন): কৃষি গবেষণায় রাজাহীর তানোরের নুর মোহাম্মদ (ব্রোঞ্জ পদক), পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন/ব্যবহার ক্যাটাগরিতে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার রারেক হাওলাদার (ব্রোঞ্জ পদক), কৃষি উন্নয়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধকরণ প্রকাশনা ও প্রচারণামূলক কাজে রংপুরের বুড়িহাটে: হটিকালচার সেন্টারের মো. মজিদুল ইসলাম (ব্রোঞ্জ পদক), নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের শফিকুল ইসলাম (ব্রোঞ্জ পংক), নওগাঁর পোরশা উপজেলার গৌতম কুমার সাহা (ব্রোঞ্জপদক), রাজশাহীরর পুঠিয়ার মোছা পূর্ণিমা বেগম (ব্রোঞ্জপদক), ঢাকার নবাবগঞ্জের নিপু ট্রেডার্স ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন।

স্বর্ণপদক- (২ জন): ১৪২৬ বঙ্গাব্দে পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি/ব্যবহার ক্যাটাগরিতে রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি চাষে পাবনার ঈশ্বরদীর মো. আমিরুল ইসলাম স্বর্ণপদক পেয়েছেন।

রৌপ্যপদক (৯ জন): রৌপ্যপদকপ্রাপ্তরা হলেন- ঢাকা শেরে বাংলা নগরের মুহাম্মদ রকিবুল আহসান রনি, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আইয়ুব হোসেন, খুলনার খালিশপুরের মোছা. হালিমা বেগম, যশোরের ঝিকরগাছার নাসরিন সুলতানা, সিলেটের আব্দুল হাই আজাদ বাবলা, মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম, ঝিনাইহের মহেশপুর উপজেলার মো. রফিকুল ইসলাম, খুলনা ডুমুরিয়ার আবুল হোসেন সরদার, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর মো. বাবুল হোসেন।

ব্রোঞ্জপদক (১৮ জন): ১৪২৬ বঙ্গাব্দের ব্রোঞ্জ পদকপ্রাপ্তরা হলেন- দিনাজপুরের বিরল উপজেলার সাবেক কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহবুবার রহমান, ঝিনাইদহের কালিগঞ্জের মো. মকবুল হোসেন, সিরাজগঞ্জের মো. সহিদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ির মহালছড়ির হ্লাশিং মং চৌধুরী, ময়মনসিংহের গৌরীপুরের মো. গাজী মামুদ, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের মো. মাহবুবুল ইসলাম, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের রিনা বেগম, নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোমরেজ আলী,

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রোস্তম আলী, পাবনার ঈশ্বরদীর মো. শাহীনুজ্জামান, বান্দরবানের তোও য়োও ম্রো, ফেনীর মো. মজিবুল হক, মুন্সীগঞ্জের সিরাজ খান, টাঙ্গাইলের মধুপুরের ছানোয়ার হোসেন, রাঙ্গামাটির রাজস্থলির মো. আবদুল আউয়াল, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের মো. শাকিল মিয়া, নড়াইলের তনিমা আফরিন এবং দিনাজপুরের রাখী দে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত