রুমা-রোয়াংছড়ি ভ্রমণে বিরত থাকার নির্দেশ

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২২, ০১:৪৯ এএম

নিরাপত্তাজনিত কারণে বান্দরবানের রুমা ও রোয়াংছড়ি ভ্রমণে পর্যটকদের বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে ওই দুই উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলা দুটিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুই উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, গতকাল বিকেলে রুমা ও রোয়াংছড়ি ভ্রমণে পর্যটকদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে রুমা, রোয়াংছড়ি উপজেলা সদরসহ দুই উপজেলার দেবতাকুম, বগা লেক, কেওক্রাডং, রিজুক ঝরনাসহ যেকোনো পর্যটন স্থানে যাওয়া-আসা থেকে পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে।

এ প্রসঙ্গে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি গতকাল রাতে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পাহাড়ে থাকা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে যৌথ বাহিনী। এ সময় অনেকে বান্দরবানে ভ্রমণ করতে আসছেন। অনেক পর্যটক না জেনে পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করতে যান। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে যৌথ বাহিনীর অনুরোধে ওই দুই উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণ করতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।’

যৌথ বাহিনীর অভিযান শেষ হলে ওই দুই উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো ফের পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।

বান্দরবানের মাইক্রোবাস, জিপ ও মাহেন্দ্র মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিরুল আলম জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় পর্যটকবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি র‌্যাবের পক্ষ থেকে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হয়, দেশের কয়েকটি জেলা থেকে ‘নিখোঁজ তরুণরা’ পাহাড়ে একটি সশস্ত্র দলের ছত্রছায়ায় জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছে। এরপর থেকে রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার সীমান্তের দুর্গম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, নতুনভাবে গড়ে ওঠা কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) নামে একটি সশস্ত্র দলে ‘নিখোঁজ তরুণরা’ জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত