গুজরাটে বিজেপির রেকর্ড জয়, হিমাচল পেল কংগ্রেস

আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:৩৮ পিএম

৫৫ শতাংশ ভোট এবং ১৫৬টি আসন নিয়ে গুজরাটে রেকর্ড জয় পেল বিজেপি। টানা সপ্তমবার গুজরাটে ক্ষমতায় আসাই শুধু নয়, আসন দখলের ক্ষেত্রেও রেকর্ড সৃষ্টি করল বিজেপি। গুজরাটে বিজেপির জয়ের রেকর্ডের পাশে কংগ্রেসও রেকর্ড করল সবচেয়ে কম আসন পাওয়ার। কংগ্রেসের প্রাপ্ত ভোটের হারও কমে হয়েছে সাড়ে ২৬ শতাংশ।

বিধানসভার মোট ১৮২ আসনের মধ্যে ১৫৬টি আসনেই পেয়েছে ভারতের ক্ষমতাসীন দলটি। কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র ১৭টি আসন। আদমি ৫টি। অন্যান্য ৪টি। আম আদমি পার্টি (আপ) মাত্র পাঁচটি আসন জিতলেও তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ১৩ শতাংশের মতো। গুজরাটে আসন জেতার মধ্য দিয়ে আপ জাতীয় দলের মর্যাদাও পেয়ে গেল।

গুজরাটের ইতিহাসে এত আসন আজ পর্যন্ত কোনো দল পায়নি। কিন্তু এ মধুর জয়ে কাঁটা হয়ে বিঁধে রইল হিমাচল প্রদেশ। পার্বত্য এ রাজ্যে বিজেপিকে হারিয়ে ক্ষমতা দখল করে নিল কংগ্রেস। এ সাফল্য হীনবল ও হতোদ্যম কংগ্রেসের কাছে একঝলক তৃপ্তির বাতাস।

হিমাচল প্রদেশের মোট ৬৮ আসনের মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ৩৯টি, যা গতবারের তুলনায় ১৮টি বেশি। সমসংখ্যক আসন হারিয়ে বিজেপি জিতেছে ২৬টি। রাজ্যটির জনগণ প্রতি পাঁচ বছর পরপরই শাসক বদল করে। এবারও তারা অন্যথা হলো না। বিজেপিকে ফের ভোট দিল না তারা।

গুজরাটে বিপুল জয় তৃতীয় বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লড়াইয়ে মোদীকে এগিয়ে রাখল বলেই মনে করছে বিজেপি শিবির। আগামী বছরও বেশ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। তার জন্যও গুজরাতের ফল অনেকটা অক্সিজেন দিল মোদী তথা বিজেপিকে।

২০০১ সালে এই গুজরাত থেকেই প্রশাসক মোদীর উত্থান। ১২ বছর মুখ্যমন্ত্রিত্বের পরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি। ২০২১ সালেই প্রশাসক মোদীর ২০ বছর পালন করেছে বিজেপি। ঠিক তার পরে পরেই কোনও কালে যে ফল গুজরাতে হয়নি সেটাই করে দেখালেন মোদী। দলের নেতারাও মনে করছেন, বিজেপি নয়, আসলে এই জয় মোদীরই। তাঁকে সামনে রেখেই যাবতীয় প্রচার হয়েছে। বার বার বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে ফের ভূমিপুত্র নরেন্দ্রভাইকে প্রধানমন্ত্রী দেখতে হলে গুজরাতকে নজির গড়তে হবে। কর্মীদের চাঙ্গা করা থেকে ভোটারদের আর্জি জানানো- সব কিছুতেই এটাই ছিল বিজেপির মূল স্লোগান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত