শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সব শিশুকে সমান সুযোগ দেওয়া উচিত। এ জন্য স্কুল ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভর্তি প্রক্রিয়ার জটিলতা দূর করতেই ডিজিটাল লটারি চালু করা হয়।
গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সরকারি বিদ্যালয়ের ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রমে ডিজিটাল লটারি উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
দেশের ৫৪০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ৯৯ হাজার ২৯০ জন শিক্ষার্থী লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছে। ভর্তির সুযোগ না পাওয়া আরও ৯৯ হাজার ২৯০ জন শিক্ষার্থী অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অনেক সমস্যা আছে ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে। লটারি নিয়ে অনেকেই খুশি। যদিও কিছু অভিভাবক এতে অসন্তুষ্ট। তাদের পছন্দমতো বিদ্যালয়ে সন্তানদের ভর্তি করতে না পেরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছেন। সবকিছু কাটিয়ে স্কুল ভর্তিকে ডিজিটালাইজ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভর্তি-কোচিং বাণিজ্য, অবৈধ শিক্ষার্থী ভর্তি ও তদবির বন্ধ হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এতে সবাই আসন পাবে। তবে সবাই হয়তো তার পছন্দের স্কুলে ভর্তি হতে পারবে না।’
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন ৫৪০টি সরকারি স্কুল ডিজিটাল লটারি কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে। এবারের লটারিতে আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি স্কুলে ১ লাখ ৭ হাজার ৮৯০টি শূন্য আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৬ লাখ ৩৮ হাজার ৫৯৩টি। আগামীকাল বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তিতে ডিজিটাল লটারি হবে। সেখানে সব বিদ্যালয় যুক্ত হয়নি। আসন সংখ্যার বিপরীতে সেখানে আবেদন করা শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম।
