স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, যুবলীগ নেতাকে গণধোলাই

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:৫৮ এএম

বগুড়ার নন্দীগ্রামে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগের এক নেতাকে আটক করে গণধোলাই দিয়েছে জনতা। তার নাম আব্দুস সালাম (৪৮)। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় তাকে আটক করে। সালাম উপজেলা যুবলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দলিল লেখক।

গত রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পৌর এলাকার ঢাকইর পূর্বপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। ওই রাতেই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে সালামের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। তিনি ঢাকইর মধ্যপাড়ার সোলাইমান প্রামাণিকের ছেলে। মামলার বিবরণ, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সালামের সঙ্গে ওই স্কুলছাত্রীর বাবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তিন বছর আগে তার বাবা স্ট্রোক করে গুরুতর অসুস্থ হন। সে সময় তিনি সালামকে বলেছিলেন, তার মৃত্যুর পর ছোট কন্যা ও পরিবারকে সে যেন দেখভাল করে। স্কুলছাত্রীর বাবা মারা যাওয়ার পর তাদের বাড়িতে যুবলীগ নেতা আব্দুস সালাম আসা-যাওয়া করত এবং খোঁজখবর নিত। ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই ছাত্রীকে বাড়িতে রেখে তার মা ঢাকইর মহল্লার বাজারের দোকানে মুড়ি কিনতে যান। বাড়িতে একা পেয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ওই যুবলীগ নেতা। ধস্তাধস্তির সময় তার মা বাড়িতে এসে ঘটনাটি দেখেই চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে আব্দুস সালামকে স্কুলছাত্রীর ঘরে আটক করে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ যুবলীগ নেতাকে আটক করলে উত্তেজিত জনতা শান্ত হয়। এ ব্যাপারে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খায়রুল ইসলাম জানান, আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। স্কুলছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত