আশুগঞ্জে সংঘর্ষে আহত ২০ ১৩ দোকানে অগ্নিসংযোগ

আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০২৩, ১২:৫০ এএম

পূর্ববিরোধের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় স্থানীয় বাজারের ১৩টি দোকানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ সংঘর্ষ ঘটে। পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় কমপক্ষে ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের রেলগেট থেকে স্কুলছাত্র রিমন সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে দুর্গাপুর গ্রামে আসে। অটোরিকশাচালক রুহুল আমিন ২০ টাকা ভাড়ার স্থলে অতিরিক্ত ১০ টাকা দাবি করেন। এ সময় কথা-কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে স্কুলছাত্র রিমনকে মারধর করে চালক রুহুল আমিন। রিমন বিষয়টি তাদের দুর্গাপুর গ্রামের ইউপি সদস্য হাজি বংশের মিজান মিয়াকে জানান। মিজান বিষয়টি চালক রুহুল আমিনের বংশের জারু মিয়া বাড়ির প্রধান দুর্গাপুর ইউপির চেয়ারম্যান রাসেল মিয়াকে জানান। পরে বাড়ি ফেরার পথে মিজানের ওপর হামলা চালায় চেয়ারম্যানের লোকজন। এ খবর পেয়ে হাজি বংশের ও চেয়ারম্যানের জারু মিয়া বাড়ির বংশের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। গত শনিবারও দুই বংশের লোকজন সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের বংশের লোকজন গতকাল বুধবার সকালে আবার সংঘর্ষে জড়ায়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়। এ সময় স্থানীয় বাজারের ১৩টি দোকানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে জানতে রাসেল মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। ইউপি সদস্য মিজান মিয়ার মোবাইলও ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

আশুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, অগ্নিকা-ে মুদি, ফার্মেসিসহ ১৩টি দোকান পুড়ে গেছে।

আশুগঞ্জ থানার ওসি আজাদ রহমান জানান, পুলিশ ১০-১৫ রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ৮-১০ জনকে আটক করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত