৪০ মিনিট পর্যন্ত রবসন রবিনহো, মিগেল ফিগেইরার সামনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন চট্টগ্রাম আবাহনী কিপার সাইফুল ইসলাম। কর্নার থেকে গোল করে সেই প্রতিরোধ ভাঙেন তপু বর্মণ। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে মিগেল ব্যবধান বাড়ানোর পাশাপাশি ফেডারেশন কাপে বসুন্ধরা কিংসের টানা তিন জয় নিশ্চিত করেন। গতকাল কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ২-০ গোলের জয়ে বি গ্রুপের সেরা হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। মুন্সীগঞ্জে গ্রুপের অন্য ম্যাচে ফর্টিজ এফসিকে ২-১ গোলে বিদায় করে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে শেষ আটে নাম লিখিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাও।
গোল মেশিন ডরিয়েলটন গোমেজকে বিশ্রাম দিয়ে খেলতে নেমেও আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়েছিল কিংস। তবে চট্টগ্রাম আবাহনীর গোলমুখ খুলতে তাদের ভালোই বেগ পেতে হয়েছে কিপার সাইফুলের দৃঢ়তায়। তবে তপুর কাছে হার মানতে হয় তাকে। রবিনহোর কর্নার দূরের পোস্ট থেকে হেড করে গোলমুখে পাঠান ইয়াছিন আরাফাত। তাতে হেড করে লক্ষ্যভেদ করেন তপু। মৌসুমে এটি তার প্রথম গোল। বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায় কিংস। ৫৫ মিনিটে নিজেদের বক্সের ভেতরে মোহাম্মদ রকির হাতে বল আঘাত করলে বেজে ওঠে পেনাল্টির বাঁশি। মিগেল তা থেকে গোল করে দলকে জয়ের পথে আরও এগিয়ে দেন। এরপর খেলা সেভাবে জমেনি। তবে শেষ দিকে একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মাঠ। ফলস্বরূপ সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়ে কিংসের ফরোয়ার্ড সুমন রেজা ও চট্টগ্রাম আবাহনীর ডিফেন্ডার মোহাম্মদ তারেককে। এই হারের পরও অবশ্য গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে কোয়ার্টারে গিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। তবে গ্রুপের অন্য ম্যাচে নাটকীয় জয়ে ফর্টিজকে বিদায় করে আসরের তৃতীয় দলগুলোর মধ্যে সেরা দুইয়ে থাকায় শেষ আটে নাম লিখিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের আট দল নিশ্চিত হয়েছে।
