দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পর্যবেক্ষণ করবে ৯ দেশ

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:১৬ এএম

বাংলাদেশে গণমাধ্যম কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে তা পর্যবেক্ষণ করবে উন্নয়ন সহযোগী ৯টি দেশ। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ডের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এই দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয় সভা থেকে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। যাতে বলা হয়, মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন (এমএফসি) নামে একটি বৈশ্বিক জোটের সদস্য ওই ৯ দেশের কূটনীতিকরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে গতকাল আলোচনায় বসেন। মার্কিন দূতাবাসের উপরাষ্ট্রদূত হেলেন লা-ফেইভ ঢাকায় এমএফসির কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক উদ্যোগ চালুর জন্য এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সমর্থন করায় উপস্থিত প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। নাগরিক সমাজের সদস্য ও সাংবাদিকরা উদ্বোধনী বৈঠকে উপস্থিত

হয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে তাদের কাজের বর্ণনা দেন। উপস্থিত প্রতিনিধিরা গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি, অনলাইন নিউজ পোর্টালের সেন্সরিং এবং সাংবাদিকদের হয়রানি ও ভয় দেখানোর সাম্প্রতিক ঘটনাসহ বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এমএফসি বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সমর্থন করতে গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ, সরকার এবং অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে এখন থেকে বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত আলোচনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি একটি আন্তঃআঞ্চলিক অংশীদারত্ব, যা অনলাইন ও অফলাইনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমর্থনে একসঙ্গে কাজ করে। সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তাকে সমর্থন করে এবং যারা সাংবাদিকদের ক্ষতি করে তথা গণমাধ্যমের কাজকে কঠোরভাবে সংকুচিত করার অপচেষ্টা চালায় তাদের জবাবদিহি নিশ্চিতে কাজ করে।

ডিপ্লোম্যাটিক নেটওয়ার্ক ইনিশিয়েটিভ সারা পৃথিবীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত। যেসব দেশে এমএফসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কূটনৈতিক মিশন রয়েছে সেখানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা ও অগ্রসরের জন্য বিভিন্ন সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম। এমএফসি ২০১৯ সালের জুলাইয়ে গ্লোবাল কনফারেন্স ফর মিডিয়া ফ্রিডমে প্রতিষ্ঠিত হয়। ছয়টি মহাদেশের অর্ধশতের বেশি দেশ এই কোয়ালিশনের সঙ্গে রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত