টস জিতলে বোলিং, ভাগ্যের কাছে হারলেই নামতে হয় ব্যাটিংয়ে। প্লে অফের ম্যাচগুলোতে অধিনায়করা এভাবেই সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেছে। এক্ষেত্রে কেউ সফল হলেও, কেউবা হয়েছেন ব্যর্থ।
প্রথম কোয়ালিফায়ারে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। সেই ম্যাচে শান্ত-হৃদয়দের ব্যাটিংয়ে ধ্বস নামিয়েছিলেন কুমিল্লার বোলাররা। পরিকল্পনায় সফল হয়ে সবার আগে ফাইনাল নিশ্চিত হয় লিটনদের।
দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচেও টসভাগ্যে হেরেছিল সিলেট। রংপুর রাইডার্স অধিনায়ক নুরুল হাসানও নেমেছিলেন ফিল্ডিংয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে হেরে যেতে হয় তাদের। ম্যাচ জিতে স্ট্রাইকার্স চলে যায় ফাইনালে।
ফাইনালে ফের তারা মুখোমুখি হচ্ছে কুমিল্লার। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে দুই দলের প্রতিনিধিরাই এসেছিলেন। কুমিল্লার হয়ে এসেছিলেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস। এসে তিনি জানালেন শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে তার ভাবনার কথা।
আগে বোলিং-ব্যাটিং করলে কিভাবে প্রতিযোগিতাটা জমিয়ে তুলতে চান জানতে চাইলে ইমরুল বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে আমি তো চাইবো যদি ওদেরকে ৫০ রানে অল আউট করতে পারি ভালো। যদি ব্যাটিং দল হই আমি তো চাইবো দুইশর বেশি রান করতে চাইবো। এটা তো আসলে চাওয়াতেই সব কিছু হবে না। কালকের খেলাটা পুরোটাই আসলে মাইন্ড গেম। হাইভোল্টেজ খেলাগুলো আসলে যে যত বেশি নার্ভ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে, যে যত বেশি নিজেকে কাম রাখতে পারবে আমার মনে হয় তাদের দল তত বেশি ভালো হবে। কারণ আপনি দুইশ রান করেও জিতবেন এমন গ্যারান্টি নেই। সবশেষ ফাইনালে কিন্তু আমরা অলমোস্ট ১৮ ওভার পর্যন্ত আমরা হেরেছিলাম। ২ ওভারে আমরা খেলা জিতে গেছি। এটা ডিফরেন্ট বল গেম। মাঠে যত বেশি কাম থাকা যায়।’