পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। এখানে র্যাবের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি একেবারেই ছোটখাটো। সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে চায়। এ নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আলোচনা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের আলোচনা হয়েছে। চীনও বাংলাদেশের সব সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে আরও সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চায়। এ ছাড়া ভারতের পররাষ্ট্র সচিবসহ বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরা বাংলাদেশের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।
এদিকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. মোমেন বলেছেন, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষাসেবা নিশ্চিত করে আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আর স্মার্ট কৃষিবিদ গড়ার মাধ্যমেই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে পারব। কারণ কৃষিবিদরা সর্বক্ষেত্রে তাদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হয়েছে। ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মোস্তফা সামছুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী প্রফেসর ড. শামীমা নাসরীন ও সহকারী প্রফেসর ড. পার্থ প্রতীম বর্মণের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী ও রূপালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, কৃষিক্ষেত্রে দেশে বৈপ্লবিক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, যার কৃতিত্ব কৃষিবিদদের। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের রোল মডেল। ২০৩০ সালে বাংলাদেশ দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় নেতৃত্বে এবং কৃষিবিদদের কল্যাণে দেশে খাদ্যশস্য উৎপাদিত হওয়ায় প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের খাদ্য আমদানি করতে হয় না। যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে।
