আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুতে মিডল অর্ডারেই ব্যাট করতে সাকিব আল হাসান। তবে ২০১৭ সালে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে দায়িত্ব ছাড়ার পর সাদা বলের ক্রিকেটে ব্যাটিং অর্ডারের তিনে উঠে আসেন এই বাঁহাতি। সাফল্যও পান দারুণ। ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে তিন নম্বরে ব্যাট করেই অবিশ্বাস্য ব্যাটিং পারফরম্যান্স মেলে ধরেন। তবে হাথুরুসিংহে ফের বাংলাদেশের কোচ হয়ে ফিরতেই পুরোনো ব্যাটিং পজিশনে ফিরতে হলো সাকিবকে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে বুধবার পাঁচ নম্বরে ব্যাট করেছেন সাকিব। তিন নম্বরে ব্যাট করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তরুণ এই ব্যাটার তিনে খেলে সফল হন। পান ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি।
৮২ বলে ৫৮ রানের ইনিংস উপহার দেন শান্ত। তবে সাকিব মিডল অর্ডারে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ১২ বলে ৮ রান করে মইন আলির বলে বোল্ড হন।
টপ অর্ডার ও মিডল অর্ডারে ব্যাটিংয়ের পার্থক্যটা বিশাল। টপ অর্ডারে খেললে ব্যাটিং ইনিংসের গতিপথ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকে সাকিবের। আর মিডল অর্ডারে খেলতে হয় ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী।
রেকর্ড বলছে তিন নম্বরে ৪৫ ম্যাচ খেলে সাকিবের রান ১৭৫৫, গড় ৪৮। তার আগে সাকিব ২২৫ ম্যাচে মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করে ৬৮৩৫ রান করেছেন, সেখানে তার গড় ছিল ৩৭.৫৫।
অর্থাৎ অলরাউন্ডার হিসেবে ৫ নম্বর ব্যাটসম্যান সাকিবের রেকর্ডও ঈর্ষণীয়। তবে টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে তার রেকর্ড আরও ভালো। খেলেছেন বেশ কিছু স্মরণীয় ইনিংসও।
হাথুরুসিংহে ফেরার পর সাকিবের টপ অর্ডার থেকে মিডলে নেমে যাওয়ায় ভক্তদের মধ্যে প্রশ্ন, তবে কি এখন থেকে মিডল অর্ডারেই খেলবেন সাকিব? সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চয়ই পরিষ্কার হয়ে যাবে বিষয়টি।
এখন পর্যন্ত ২২৫ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সাকিবের রান ৬৮৪৩। ৯টি সেঞ্চুরির সঙ্গে ফিফটি করেছেন ৫০টি।
