আজ বিশ্ব মেডিটেশন দিবস

স্বাস্থ্যশিক্ষায় গুরুত্ব পাচ্ছে মেডিটেশন

আপডেট : ২১ মে ২০২৩, ১২:২৯ এএম

যোগ মেডিটেশনসেবাকে স্বাস্থ্যসেবার পরিপূরক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় গত বছরের ১ ডিসেম্বর এক চিঠিতে জানায়, ‘উদ্বেগ, বিষণœতা, স্ট্রেস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকজাতীয় সমস্যা নিরসনে যোগ মেডিটেশনকে বিদ্যমান চিকিৎসাব্যবস্থায় পরিপূরক হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।’

এর আগে গত বছরের নভেম্বরে দেশের মাধ্যমিক স্তরের ১২৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘টোটাল ফিটনেস প্রোগ্রাম’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। এজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে মাস্টার ট্রেইনার গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর। শিক্ষকদের এই ট্রেইনার হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে।

এরও আগে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরের অধীনস্থ সব অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গ্রন্থাগারে ‘শুদ্ধাচার’ বই অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেয় অধিদপ্তর। সে অনুযায়ী এসব গ্রন্থাগারে এ-সংক্রান্ত বই অন্তর্ভুক্তি শুরু হয়েছে।

এসব তথ্য তুলে ধরে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের মোমেন্টিয়ার এম রেজাউল হাসান দেশ রূপান্তরকে বলেন, সারা বিশ্বেই এখন মেডিটেশন স্বাস্থ্যসেবার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন হাসপাতালে মেডিটেশনের চর্চা শুরু হয়েছে। বিশিষ্ট চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা মেডিটেশন করার জন্য প্রেসক্রাইব করছেন। বিশেষত হৃদরোগ, বিষণœতা, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক ইত্যাদির ক্ষেত্রে মেডিটেশনচর্চার পরামর্শ বেড়েছে। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায়ও ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, ভারতের দিল্লির স্কুলগুলোতে মেডিটেশনচর্চা এখন নিয়মিত বিষয়। আমাদের দেশেও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুরু হয়েছে মেডিটেশনচর্চা। শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বৃদ্ধিতে এবং ক্ষতিকর অভ্যাস দূর করতে মেডিটেশন খুব কার্যকর।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত