লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সারা দেশে বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিএনপির অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার। তবে রাজধানী ঢাকাসহ অনেক এলাকায় পুলিশের বাধার মুখে ঘোষিত কর্মসূচি পালন করতে পারেনি দলটি। কোনো কোনো জায়গায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। কোথাও তাদের ওপর যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগও উঠেছে। কোনো কোনো এলাকায় হয়েছে সড়ক অবরোধের ঘটনাও। অনেক জায়গায় আবার শান্তিপূর্ণভাবেই স্মারকলিপি দিতে পেরেছে দলটি। সব জায়গার সমাবেশ থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানানো হয়। দেশ রূপান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে বিস্তারিত
ঢাকায় পুলিশের বাধা : গতকাল রাজধানীর মতিঝিলে বিদ্যুৎ ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার কথা ছিল বিএনপির। কিন্তু পুলিশের বাধায় শেষ পর্যন্ত সেখানে যেতে পারেননি দলটির নেতাকর্মীরা। পরে দলটির একটি প্রতিনিধিদল বিদ্যুৎ ভবনে স্মারকলিপি দিয়ে ফিরে আসে। এর আগে আরামবাগ মোড়ে দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর যৌথ নেতৃত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় নেতাকর্মীরা ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে সরকারের সমালোচনা করে নানান ধরনের সে্লাগান দেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে রিজভী বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ১৫৪টি প্ল্যান্ট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৯টি শুধু চালু আছে। বাকি ১০৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রায় বন্ধ বা কিছু পরিমাণে চালু আছে। তাহলে আজ বিদ্যুৎ কোথায় গেল। সীমাহীন লুটপাটের কারণে আজকে বিদ্যুৎ খাতের করুণ দশা।’
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাকে ফেরি করে বিক্রি করে দিয়েছেন। জনগণের অধিকার কারাবন্দি করেছেন। এর অবসানের জন্য আজ সব গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ। শিগগিরই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানো হবে।’ কর্মসূচি শেষ করে রিজভী বিএনপির সাতজন প্রতিনিধিকে বিদ্যুৎ অফিস পাঠান। এর মধ্যে বেশিরভাগই বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিদ্যুৎ অফিসে গেলে প্রথমে তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা এবং পুলিশ সদস্যরা প্রতিনিধিদলকে অফিসের ভেতরে প্রবেশ করার অনুমতি দেন। তবে এ সময় কোনো গণমাধ্যমকর্মীকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। প্রায় ২০ মিনিট বিদ্যুৎ অফিসের ভেতরে অবস্থান করে বিএনপির প্রতিনিধিদল বেরিয়ে আসে। এ সময় নিপুণ রায় চৌধুরী উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ ভবনের ভেতরে আমরা আজ (গতকাল) স্মারকলিপি দিয়েছি। বিদ্যুৎ অফিসের উপপরিচালক মমতাজ পারভিন আমাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন।’
রাজশাহীতে অবস্থান ও স্মারকলিপি : লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির প্রতিবাদ জানিয়ে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। গত বেলা ১১টায় নগরীর মালোপাড়া বিএনপির কার্যালয় থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করে নগরীর হেতেম খাঁ নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। সে সময় বিএনপির নেতারা বলেন, রাজশাহীতে লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের জীবনযাত্রা অসহনীয় হয়ে পড়েছে। এ অবস্থার জন্য তারা দায়ী করেন সরকারের কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র আর দুর্নীতিকে। বিএনপির নেতারা এই সংকট নিরসন ও দ্রুত সরকারের পদত্যাগ দাবি করেন। দুপুর ১২টার পর বিএনপি নেতারা নেসকো কর্র্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
পাবনায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের হামলা : কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাবনায় বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিএনপির অবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল শেষে ফেরার পথে হামলার অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের ঘোড়াস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে বলে দাবি দলটির। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তাৎক্ষণিক পাবনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। দলটির নেতাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গোপালপুরে জেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের পাওয়ার হাউজপাড়ার বিদ্যুৎ অফিসের সামনে গিয়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শেষে স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপি দেওয়ার মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হলে নেতাকর্মীরা নিজ নিজ বাসায় ফেরার পথে ঘোড়াস্ট্যান্ডের সামনে এলে সেখানে পাবনা জেলা পরিষদের সদস্য নজরুল ইসলাম সোহেলের নেতৃত্বে যুবলীগ-ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের মুখোমুখি হলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। বেলা ৩টার দিকে পাবনা প্রেস ক্লাবে জেলা বিএনপির এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি শেষ করে বাড়ি ফিরছিলাম। এ সময় আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়েছে। পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতিতেই নারকীয় হামলা চালানো হয়েছে। এতে আমাদের জেলা বিএনপির আহ্বায়কসহ অন্তত ২৫-৩০ জন আহত হয়েছে। তাদের তাৎক্ষণিক পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।’
তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল বলেন, ‘আমাদেরও শান্তি সমাবেশ চলছিল। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেখানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে আসার পথে নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিহত করেছে মাত্র।’
বগুড়ায় পুলিশের বাধা : বগুড়ায় লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে জেলা বিএনপি মিছিল বের করলে তাতে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের শহীদ খোকন পার্কের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপি সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করে। এরপর দুপুর ১২টায় লোডশেডিং বন্ধের প্রতিবাদে ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বগুড়া জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলো। নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (নেসকো) বগুড়া কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল মোন্নাফের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়। স্মারকলিপি দেওয়ার পর খোকন পার্ক সড়ক অবরোধ করে সমাবেশের আয়োজন করেন তারা। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার হেনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রাণের অহংকার, আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ বাঁচাও, জাতি বাঁচাও আন্দোলনের অংশ হিসেবে সারা বাংলাদেশের মানুষকে বিদ্যুৎ ও লোডশেডিং থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আজকের এই বিদ্যুৎ অফিসে অবস্থান কর্মসূচি। বাধার বিষয়ে সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শাহিনুজ্জামান জানান, বিএনপির অনেক নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে নেসকো কার্যালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের এত লোকজন নিয়ে যাওয়ার অনুমতি না থাকায় মিছিলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে বিএনপির প্রতিনিধিদল নেসকো কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি তুলে দেয়।
নারায়ণগঞ্জে স্মারকলিপি : নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসে স্মারকলিপি দিয়েছে জেলা বিএনপি। গতকাল দুপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে স্মারকলিপি দেয় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসি এনওসিএসের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত অধিকারী।
খোকন বলেন, দেশের যে পরিস্থিতি, বর্তমানে গোসল করার পানি নেই। মিলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বাচ্চাদের পরীক্ষা, পড়তে পারছে না বিদ্যুতের জন্য। আমরা জনগণ তো বিদ্যুতের বিল বাকি রাখি না। তাই অতিদ্রুত এ সমস্যা যেন সমাধান হয়।
ঝিনাইদহে পুলিশের বাধা : পুলিশি বাধায় ঝিনাইদহে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে পারেনি বিএনপি। দেশে অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে শহরের বিদ্যুৎ অফিসের পাশে তসলিমা ক্লিনিকের সামনে জড়ো হন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সেখান থেকে বিদ্যুৎ অফিসের সামনে অবস্থান নিতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশ বাধায় সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশে সরকারের ব্যর্থতার কারণে বিদ্যুতের এ ভয়াবহ পরিস্থিতি উল্লেখ করে সরকারকে পদত্যাগ করার দাবি জানান। সমাবেশ শেষে মিছিলযোগে বিদ্যুৎ অফিসে স্মারকলিপি দিতে গেলে তাতেও বাধা দেয় পুলিশ। পরে বিএনপির কয়েকজন প্রতিনিধি গিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করে।
পুলিশের বাধার মধ্যেও মাগুরায় অবস্থান কর্মসূচি : গতকাল বেলা ১১টায় শহরের ভায়না এলাকা থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহাম্মদের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মাগুরা-ঝিনাইদহ সড়কের ওজোপাডিকোর অফিসের সামনে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের বাধায় তারা জেলা পরিষদ অফিস গেটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মাগুরা ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা।
ফরিদপুরে বাধার মুখে অবস্থান কর্মসূচি : ফরিদপুরে পুলিশ এবং ক্ষমতাসীন দলের বাধার মধ্য দিয়ে জেলা বিএনপি তাদের কর্মসূচি পালন করেছে। গতকাল বেলা ১১টায় শহরের থানা রোডের কাঠপট্টিতে অবস্থিত বিএনপির অফিস থেকে একটি মিছিল নিয়ে ঝিলটুলীর বিদ্যুৎ অফিসে যাওয়ার পথে চৌরস্তায় বাধা দেয় পুলিশ। পরে সেখানেই অবস্থান নেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসের সামনে গেলে আগে থেকে সেখানে অবস্থান নেওয়া জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা মিছিলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ দুপক্ষের মধ্যে অবস্থান নেয়। পরে বিএনপি নেতারা বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
জয়পুরহাটে প্রতিবাদ সভা : সারা দেশের অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক দুর্নীতির প্রতিবাদে জয়পুরহাটে খঞ্জনপুর বিদ্যুৎ অফিসের সামনে জেলা বিএনপি অবস্থান কর্মসূচি, প্রতিবাদ সভা ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে। বেলা ১১টায় নেসকো বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে অবস্থান ও প্রতিবাদ সভা করে দলটি। অবস্থান কর্মসূচি শেষে নেসকো বরাবর সহকারী প্রকোশলী মো. আদনান সাকিবের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
কুড়িগ্রামে দুই সভা : চলমান অসহনীয় লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক দুর্নীতির প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিএনপির দুটি গ্রুপ পৃথকভাবে বিদ্যুৎ অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শেষে স্মারকলিপি প্রদান করে। গতকাল বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুড়িগ্রাম নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি নেসকোর সামনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল রহমান রানার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। অন্যদিকে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে নেতাকর্মী নেসকোর সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে একটি প্রতিনিধিদল নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল রহমানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে।
