পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের সরকারি বনের মধু সংগ্রহ করা নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চলছে। এ নিয়ে গত সোমবার গলাচিপা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। মামলায় দুই পক্ষের আসামি ১৮ জন।
মৌডুবি ইউনিয়নের আশাবাড়িয়া গ্রামের সবুজ মিয়া বাদী হয়ে গত সোমবার ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। আর একই ইউনিয়নের ভূইয়াকান্দা গ্রামের আফিয়া বেগম বাদী হয়ে ওই দিনই আদালতে পৃথক মামলা করেন। বিচারক মামলা দুটি আমলে নিয়ে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সংরক্ষিত বন থেকে মধু আহরণ নিয়ে সবুজ মিয়া এবং আফিয়া বেগমের স্বামী দুলাল হাওলাদারের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
সবুজ মিয়ার করা মামলার এজাহারে জানা যায়, গত ২৯ মে আশাবাড়িয়া চরের সংরক্ষিত বনে মধু সংগ্রহকে কেন্দ্র করে সবুজ মিয়ার ওপর হামলা এবং তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। দুলাল হাওলাদারসহ ১২ আসামি এ হামলা চালান। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকও হয়।
অন্যদিকে আফিয়া বেগমের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, সম্প্রতি মৌডুবির চরবগলা ও আশাবাড়িয়া চরে বন বিভাগের বনে মধু আহরণ নিয়ে তার স্বামী দুলাল হাওলাদারের সঙ্গে সবুজসহ ৬ আসামির দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে গত ১৬ জুন মৌডুবি বাজারের কাছে দুলাল হাওলাদারের ওপর হামলা চালান আসামিরা।
মৌডুবি বিট কর্মকর্তা শোয়েব খান বলেন, আমরা মধু সংগ্রহের জন্য আফিয়া বেগমের স্বামী দুলাল হাওলাদারকে অনুমতি দিয়েছি। কিছুদিন আগে মধু সংগ্রহ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। তবে মামলার বিষয়টি জানা নেই।
এ ব্যাপারে বন বিভাগের রাঙ্গাবালী রেঞ্জ কর্মকর্তা অমিতাভ বসু বলেন, মধু সংগ্রহের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের ঘটনাটি সংরক্ষিত বনের মধু আহরণ নিয়ে নয়।
