রোগীরা মাংস খাবেন ভেবেচিন্তে

আপডেট : ২৯ জুন ২০২৩, ১২:৪২ পিএম

কোরবানির ঈদের খাবারদাবারের প্রধান অনুষঙ্গই হলো লাল মাংস বা গরু-খাসির মাংস। ঈদে নানা ধরনের পশু কোরবানির পরপরই ঘরে ঘরে চলতে থাকে গোশত বা মাংস খাওয়ার আয়োজন এবং চলতে থাকে হাঁড়ির শেষ টুকরা সাবড়ে দেওয়া পর্যন্ত।

প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য অবশ্যই সারা দিনে ৯০ থেকে ১০০ গ্রামের বেশি লাল মাংস খাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে ঈদের দিনগুলোতে লাগাতার মাংস খাওয়া অবশ্যই আপনাকে বর্জন করতে হবে। কখনোই প্লেট ভরে মাংস নিয়ে শুধু মাংস দিয়ে খাওয়া শেষ করবেন না। সারা বছরের সুষম খাবার বণ্টনের মতোই শাক-সবজি, ডালের পাশাপাশি চর্বি ছাড়া মাংস তুলে নিতে পারেন খাবার প্লেটে। অর্থাৎ এখানেও ব্যালান্স করে খেতে হবে, সুস্থ থাকতে চাইলে।

তবে সবচেয়ে ভালো হয় যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, যাঁদের রক্তে চর্বি বেশি বা হাইপারলিপিডে ভুগছেন, যাঁদের হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যা আছে এবং যাঁরা নন-অ্যালকোহলিক লিভার ডিজিজে ভুগছেন, তাঁরা অবশ্যই ঈদের আগে রক্তের চর্বি, সেরাল ক্রিয়েটেনিন, সেরাল ইলেকট্রোলাইট, রক্তের শর্করা কেমন আছে, তা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়ে নিন। যেহেতু ১০০ গ্রাম গরু বা খাসির মাংসে ২৬ গ্রাম প্রোটিন ও দুই গ্রাম ফ্যাট পাচ্ছেন, তাই কিডনি সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের অবশ্যই ঈদের আগে সেরাম ক্রিয়েটিনিন ও সেরাম ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষা করানো অত্যন্ত প্রয়োজন।

কেননা প্রোটিন রেস্ট্রিকশন থাকলে সুস্থ মানুষের চেয়ে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মাংস পরিমাণে কম খেতে হবে আপনাকে। ঠিক তেমনি হাই ব্লাড প্রেসার, হৃদরোগী, ফ্যাটি লিভার ডিজিজে ঈদের দিনগুলোতে কয়েক দিন লাগাতার মাংস দিয়ে ভূরিভোজ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে আপনাকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত