জরায়ুমুখে ক্যানসারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৩, ১২:৩৩ এএম

জরায়ুমুখে ক্যানসার থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। নয়ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। জরায়ুমুখ ক্যানসারের জন্য এইচপিভি ভাইরাস দায়ী।

কাদের ঝুঁকি বেশি :কম বয়সে বিয়ে কম বয়সে বাচ্চা নেওয়া, ঘন ঘন বাচ্চা নেওয়া পারসোনাল হাইজিন না মেনে চলা অসচ্ছলতাযৌনবাহিত রোগ বহুগামিতা স্বামীর প্রথম স্ত্রী সার্ভিক্যাল ক্যানসারে মারা যাওয়া

লক্ষণ : দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব, অনিয়মিত রক্তস্রাব, সহবাস-পরবর্তী রক্তস্রাব, ৩৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে বেশি হয়

চিকিৎসা : প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে শতভাগ চিকিৎসায় আরোগ্য সম্ভব। প্রাথমিক অবস্থা নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন স্ক্রিনিং পদ্ধতি আছে। এসবের মধ্যে পেপস স্মেয়ার, ভায়া অন্যতম। প্রতি তিন বছর পর পরীক্ষা করাতে হয়। অ্যাডভান্স অবস্থায় ডায়াগনসিস হলে অপারেশন বা রেডিওথেরাপি অথবা দুটি দিয়েই চিকিৎসা করা হয়।

প্রতিরোধ : ভ্যাকসিন ও নিয়ম-কানুন মেনে এই ক্যানসারকে হটিয়ে দেওয়া যায়। রিস্ক ফ্যাক্টর অ্যাভয়েড করা, জেনিটাল হাইজিন মেইনটেন করা, ধর্মীয় অনুশাসন প্রভৃতি মেনে চললে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। প্রতিরোধক হিসেবে টিকা দেওয়া যায়। এই টিকা ০.৫ এমএল/অ্যাম্পুল/আইএম মাংসে দিতে হয়। আর এই টিকা ৭.৪ বছর পর্যন্ত নিরাপত্তা দেবে। গর্ভাবস্থায়ও দেওয়া যাবে। তবে নতুন করে দিতে হলে গর্ভাবস্থার পরে দিলেই ভালো। ভ্যাকসিন এর টার্গেট গ্রুপ হলো ৯ - ১৪ বছর বয়সী কন্যাশিশু, যাদের ভ্যাকসিন দেওয়া যায়। কমপ্লিমেন্টারি গ্রুপ ২৬ বছর বয়স পর্যন্ত। সেক্সুয়ালি অ্যাক্টিভ যে কেউ দিতে পারবে। ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত দুই ডোজ দিতে হয়। ১৫ বছরের পরে তিন ডোজ লাগবে। প্রথম ডোজের ছয় মাস পর দ্বিতীয় ডোজ (অনূর্ধ্ব-১৪ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে) দিতে হয়। প্রথম ডোজের এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ, দ্বিতীয় ডোজের ছয় মাস পর তৃতীয় ডোজ (১৫ বছর ও ঊর্ধ্ব বয়সীদের ক্ষেত্রে) দিতে হয়। অল্প বয়সীদের সেক্সুয়াল এক্সপোজার হয়নি, তাদের স্ক্রিনিং দরকার নেই। যাদের এক্সপোজার হিস্ট্রি আছে, তাদের স্ক্রিনিং করে নেওয়া ভালো। তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে শুরুতেই চিকিৎসা নিলে রোগ থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া যায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত