সোনাগাজীর মঙ্গলকান্দি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, ল্যাব অপারেটর, অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তা কর্মী পদে পরীক্ষার আগেই নিয়োগ চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার এসব পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। আগ্রহী প্রার্থীরাও পরীক্ষায় অংশ নিতে আসেন। কিন্তু অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে আগে থেকে প্রার্থী চূড়ান্ত করে তাদের হাতে প্রশ্নপত্র তুলে দেওয়া হয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, চলতি বছরের ৭ মে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। প্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইসহ বিধি মোতাবেক সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যোগ্য প্রার্থীদের অনুকূলে প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়। শনিবার পূর্বনির্ধারিত সময়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রার্থীরা স্কুলে আসেন।
এরই মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল আমিন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন সিরাজী, প্রধান শিক্ষক মো. ফয়েজ উল্লাহ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বাদলসহ নিয়োগ কমিটির সদস্যরা জরুরি বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেন।
তবে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইসমাইল হোসেন সিরাজী জানান, অনৈতিক লেনদেন এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি ভিত্তিহীন ও গুজব। পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে প্রশ্নপত্র তৈরির সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তারপরও এমন একটি অভিযোগ সামনে আসায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ করার স্বার্থে আমরা পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিদ্যালয়ের দাতা কমিটির সদস্য ও মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বাদল জানান, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রেখে নিয়োগ প্রক্রিয়ার যাবতীয় কাজ করা হয়েছে। তারপরও কারা এমন গুজব প্রচার করেছে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল আমিন পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রশ্ন তৈরির আগেই ফাঁসের অভিযোগ এসেছে। এটা হাস্যকর।
