তাড়াহুড়ো করে অলআউট বাংলাদেশ

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:৪৩ পিএম

চাপটা এমনিতেই ছিল। টপঅর্ডাররা রান না করায় সাকিব-মুশফিকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ দাঁড় হয়। সেই চ্যালেঞ্জ উতরে দলের রান একটা পর্যায়ে এনেছিলেন দুই অভিজ্ঞ। তাদের ব্যাচে রান রেটও হয় ভারসাম্যপূর্ণ। সম্ভাব্য স্কোর ছিল আড়ইশোর ওপর। তার জন্য পুরো ওভার তো খেলতে হবে। কিন্তু তাড়াহুড়ো রান তুলতে গিয়ে তা আর হলো না। পাকিস্তানের বিপক্ষে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১১.২ ওভার হাতে রেখে মাত্র ১৯৩ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। শেষ চার উইকেট হারাতে হলে মাত্র ৯ বলে। শেষ ৫ উইকেট গেল মাত্র ১৯ রানে।
তাসের ঘরের মতো পতনের শুরু হয় মুশফিকুর রহিমের ভুলে। হারিস রউফকে ডাউন দ্যা উইকেটে এসে ড্রাইভ করতে গিয়ে ফিরলেন ৮৭ বলে ৫ চারে ৬৪ রান করা এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। অথচ আরও যে পরিমাণ ওভার ছিল, ম্যাচটা আরও গভীরে নিয়ে যেতেই পারতেন তিনি। তখনও তার সঙ্গে ছিল আফিফ হোসেন। কিন্তু পরিকল্পনা বা নিজেদের মধ্যে কথা বলার অভাব কাল হলো বাংলাদেশের।
মুশফিকের পরের বলেই ফিরলেন তাসকিন। পরের ওভারে নাসিম শাহকে পুল করতে গিয়ে আকাশে তুলে নেন ১১ বলে ১২ রান করা আফিফ। আর দুই বল পর বোল্ড হন শরিফুল। লেজের দুই ব্যাটারকে নিয়ে আরও একটু চেষ্টা করতে পারতেন আফিফ। কিন্তু সেই তাড়াহুড়োর ভুল বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার কারণ।
এর আগে ৪৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। মোহাম্মদ নাঈমের ২৫ বলে ২০ রান ছাড়া টপঅর্ডারের সবাই ব্যর্থ। তরুনরা বিদায়ের পর হাল ধরার দায়িত্ব পড়ে দলের অভিজ্ঞ দুইয়ের কাঁধে। সেই দায়িত্বটা বেশ দারুন ভাবে পালন করলেও কাজ শেষ করা হয়নি সাকিব আল হাসান ও মুশফিকের। ঠিক ১০০ রানের জুটি গড়ে সাকিব ৫৭ বলে ৭ চারে ৫৩ রান করে ফিরলে বাংলাদেশের ভাল স্কোরের আশাও হারায়।
ভারতের মতো পাকিস্তান পেসারদেরই সব উইকেট না দিলেও হারিস রাউফের ১৯৯ রানে ৪, নাসিমের ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেয়া থামাতে পারেননি বাংলাদেশ ব্যাটাররা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত