মন্ত্রী এমপিদের চিঠি

সাইবার নিরাপত্তা বিল ঢেলে সাজাতে টিআইবির আহ্বান

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:১৩ এএম

‘খসড়া সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’ যাতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো চিন্তা, বিবেক, বাক্ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণের হাতিয়ারে পরিণত না হয়, তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের জোরালো ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের চিঠির মাধ্যমে এ আহ্বানের বিষয়টি জানিয়েছে টিআইবি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের পাশাপাশি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের ই-মেইলে চিঠি দেওয়া হয়েছে। একই চিঠি দেওয়া হয়েছে সব সংসদ সদস্যকে।

গত বৃহস্পতিবারের ওই চিঠিতে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ থেকে খসড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ : তুলনামূলক পর্যালোচনা ও সুপারিশ’সংক্রান্ত টিআইবির পর্যবেক্ষণও যুক্ত করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি বলেছে, এই বিলে দক্ষতা ও সক্ষমতাকে বিবেচনা না করে এবং বিচারিক নজরদারি ব্যতিরেকে অপরাধ তদন্ত ও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশকে ঢালাও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিচারিক নজরদারির যে সক্ষমতা দরকার, তা আছে কি না, তা বিবেচনা করা হয়নি। মত ও তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতার চর্চার কারণে মানহানির মতো অভিযোগের প্রচলিত আইনে বিচার করা সম্ভব, এমন অনেক বিষয় অযৌক্তিকভাবে এই বিলের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক চর্চা অনুযায়ী, সাইবার নিরাপত্তা আইনের জন্য অপরিহার্য অনেক উপাদান এই খসড়ায় নেই এমন বেশ কিছু বিষয় সংশোধিত খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত করতে সুপারিশ করছে টিআইবি।

উল্লেখ্য, সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩ গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়। বিলটি পরীক্ষা করে পাঁচ দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দিতে সেদিনই তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

তবে এর মধ্যে সংসদীয় কমিটি বিলটি পাসের জন্য সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে। বিলে বিতর্কিত ৪২ ধারা বহাল রাখা হয়েছে। তবে ৩২ ধারাটি (অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের বিধান) বাতিলসহ কয়েকটি ধারার সংশোধন ও কিছু ক্ষেত্রে ভাষাগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত