নীতিনির্ধারকদের হাতে সম্রাট পেঙ্গুইনের ভবিষ্যৎ

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:৩৮ এএম

অ্যান্টার্কটিকায় বিস্তৃত এলাকা জুড়ে বরফ গলে পড়ায় ১০ হাজার সম্রাট পেঙ্গুইনের মৃত্যু ঘটেছে। জলবায়ু পরিবর্তনকে এর জন্য দায়ী করছেন বিজ্ঞানীরা। গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমাতে না পারলে এই শতাব্দীতেই বিশেষ প্রজাতির এই পেঙ্গুইন বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের। লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া

গবেষণা প্রতিবেদন

সম্রাট পেঙ্গুইন। পেঙ্গুইন প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে লম্বা ও ভারী পাখি। অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ তাদের বাসস্থান। নারী ও পুরুষ উভয়েরই আকার একই। উচ্চতা ১০০ সেন্টিমিটার আর ওজন ২২ থেকে ৪৫ কিলোগ্রাম। অ্যান্টার্কটিকার এই সম্রাট পেঙ্গুইনদের জীবনে সম্প্রতি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যান্টার্কটিকার বেলিংশাউসেন সাগরের চারটি এলাকাজুড়ে ১০ হাজার সম্রাট পেঙ্গুইনের ছানা মারা গেছে। তাদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের শেষের দিকে পেঙ্গুইনের প্রজননস্থলের নিচের বরফ গলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে একপর্যায়ে ছানাগুলোর মৃত্যু হয়। অ্যান্টার্কটিকায় বরফ গলে এত বিপুল সংখ্যক সম্রাট পেঙ্গুইনের ছানা মারা যাওয়ার ঘটনা সম্ভবত এই প্রথম। ডিম ফুটে বের হওয়ার পর ছানাগুলোর দেহে পানিরোধী পাখনা গজাতে থাকে। ওই পাখনার সাহায্যে তারা পানিতে সাঁতার কাটতে শেখে। গবেষকরা বলেছেন, তাদের পাখনা গজানোর আগেই অ্যান্টার্কটিকার বরফ ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। খুব সম্ভবত, ছানাগুলো পানিতে ডুবে অথবা ঠাণ্ডায় জমে মারা যায়। দেহ হিমশীতল পানির সংস্পর্শে আসার পর তারা তাদের দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। ‘রেকর্ড লো ২০২২ অ্যান্টার্কটিক সি আইস লেড টু ক্যাটাসট্রোফিক ব্রিডিং ফেইলিউর অব এম্পেরার পেঙ্গুইনস’ শিরোনামে গবেষণা প্রতিবেদনটি চলতি বছরের ২৪ আগস্ট সায়েন্টিফিক জার্নাল কমিউনিকেশন্স আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টে প্রকাশ করা হয়। গবেষণাটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ইংল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের পিটার টি ফ্রেটওয়েল ও নরম্যান র‌্যাটক্লিফ। এ ছাড়া তাদের দলে প্যারিসের অদ বুতেত নামে এক স্বাধীন গবেষকও ছিলেন।

২০১৬ সাল থেকে অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগরের বরফের পরিমাণ কমতে শুরু করে। প্রতি বছরই মহাসাগরটিতে বরফ সংকোচনের নতুন রেকর্ড হচ্ছে। ফলে ৯০ শতাংশের বেশি সম্রাট পেঙ্গুইনের জীবন হুমকির মুখে পড়েছে। এই শতাব্দী শেষ হওয়ার আগেই তারা বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যদি পৃথিবীর জলবায়ু উষ্ণ থেকে উষ্ণতর হওয়া অব্যাহত থাকে। গবেষকরা বলেন, ‘বরফ গলে যাওয়ার সঙ্গে সম্রাট পেঙ্গুইনের বংশবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়ার স্পষ্ট যোগসূত্র আছে। আমাদের গবেষণার ফলাফলে এটি উঠে এসেছে। ওই দুই ঘটনার যোগসূত্র হয়তো ভবিষ্যতের কথা বলছে। অ্যান্টার্কটিকা উষ্ণ হয়ে পড়ার অর্থ এ ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে এবং বারবার ঘটবে। উষ্ণ হয়ে ওঠা বিশ্ব সম্রাট পেঙ্গুইনের জনসংখ্যার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে বাধ্য।’

পেঙ্গুইনের প্রজনন চক্র

সম্রাট পেঙ্গুইনের প্রজনন চক্রের জন্য সাগরের স্থির বরফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গবেষক ফ্রেটওয়েল বলেন, ‘প্রজনন চক্রের পুরো সময় সম্রাট পেঙ্গুইন বরফের ওপর থাকে। এপ্রিলের শুরু থেকে ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত তাদের স্থির বরফ দরকার।’ মার্চের শেষের দিক থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এই পেঙ্গুইন সাগর থেকে বরফে পছন্দের প্রজনন স্থানে আসতে থাকে। ওই সময় নারী ও পুরুষ পেঙ্গুইন পরস্পরকে আকৃষ্ট করে এবং মে ও জুন মাসে ডিম পাড়ে। আগস্টে ডিম ফেটে বাচ্চা বের হয়। এরপর প্রাপ্তবয়স্ক পেঙ্গুইনরা বাচ্চাগুলোকে খাওয়ায়। ফ্রেটওয়েল বলেন, ‘পেঙ্গুইনের বাচ্চা খুব দ্রুত বড় হয়। ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের ধূসর নরম পালক খসে পড়ে এবং সে জায়গায় কালো মসৃণ পানিরোধী পাখনা গজাতে শুরু করে। ডিসেম্বরের শেষে বা জানুয়ারির শুরুতে বাচ্চাগুলো পানিতে নামে এবং নিজেরাই খাবারের সন্ধান করে। সুতরাং সম্রাট পেঙ্গুইন যে বরফের ওপর বংশবিস্তার করে, সেই বরফ এপ্রিল থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত স্থির থাকা জরুরি। এই শর্ত পূরণ হলে পরে পেঙ্গুইনের সফল বংশবিস্তার সম্ভব, অন্যথায় নয়।

গবেষণার ফলাফল

২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অ্যান্টার্কটিকার বেলিংশাউসেন অঞ্চল ও অ্যান্টার্কটিক উপদ্বীপের পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচটি এলাকা যেখানে সম্রাট পেঙ্গুইন বাস করে, সেখানকার স্যাটেলাইটে তোলা ছবি পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকরা। ওইসব ছবিতে তারা পাখিগুলোর মলমূত্র অনুসরণের মাধ্যমে তাদের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করেন। সম্রাট পেঙ্গুইনের বাদামি মলমূত্র সাদা বরফের ওপর স্পষ্ট দাগ ফেলায় এ কাজ করতে গবেষকদের সমস্যায় পড়তে হয় না। যে পাঁচ এলাকা তারা পর্যবেক্ষণ করেন, সেগুলো রথসচাইল্ড আইল্যান্ড, ভার্ডি ইনলেট, স্মাইলি আইল্যান্ড, ব্রায়ান্ট কোস্ট ও ফ্রোগনার আইল্যান্ডে অবস্থিত। ২০২২ সালে অ্যান্টার্কটিকার চারদিকে রেকর্ড পরিমাণ বরফ হ্রাস পায়। ওই বছর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেলিংশাউসেন সাগর অঞ্চল। ওই অঞ্চলের কয়েক জায়গায় শতকরা ১০০ ভাগ বরফ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই পাঁচ এলাকার মধ্যে চারটিতে সম্রাট পেঙ্গুইনের বংশবৃদ্ধি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কেবল রথসচাইল্ড আইল্যান্ডে পেঙ্গুইনের বংশবিস্তার কিছুটা সফল হয়, কারণ ওই অঞ্চলের হিমশৈল সম্ভবত সাগরের বরফ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছিল। রথসচাইল্ড আইল্যান্ডের বাচ্চা পেঙ্গুইনগুলো তাদের দেহে পাখনা গজানোর সময় পেয়েছিল বলে মৃত্যুর হাত থেকে তারা বেঁচে গিয়েছিল। ফ্রেটওয়েল বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ৭ থেকে ১০ হাজার পেঙ্গুইনের বাচ্চা বেলিংশাউসেন সাগরে বিলীন হয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে কারণ অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশজুড়ে ৬২টি জায়গায় সম্রাট পেঙ্গুইন বাস করে। এগুলোর মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ জায়গার বরফ ব্যাপকভাবে গলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, অল্প জায়গায় বরফ গললে সেক্ষেত্রে বংশবিস্তারে যে ক্ষতি সাধিত হয়, তা মোকাবিলা করতে জানে সম্রাট পেঙ্গুইন। এমনটা ঘটলে পরের বছর তারা বিকল্প আরও স্থির জায়গায় চলে যায় এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি অব্যাহত রাখে। কিন্তু বিশাল অঞ্চলের বরফের পরিমাণ যদি সংকুচিত হয় ও ভেঙে পড়ে, সেক্ষেত্রে তাদের আর কিছু করার থাকে না। ফ্রেটওয়েল বলেন, ‘এ কারণে গত বছরের শেষের দিকে বেলিংশাউসেন সাগর অঞ্চলে দুর্যোগ ঘটলে সম্রাট পেঙ্গুইন অসহায় হয়ে পড়ে। দেড় হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ ওই অঞ্চলের প্রায় সব বরফ বলতে গেলে গলে গেছে। যদি সেখানে কোনো বরফ না থাকে, তাহলে কী হবে, এ বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই।’

বরফ সংকোচন

গত বছরের মতো এ বছরও অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগরের বরফের পরিমাণ বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে কমছে। তবে এবারের চিত্র একেবারে ভিন্ন। চলতি বছরের জুলাই মাসে ওই মহাসাগরে বরফের পরিমাণ ছিল গড়ে ১৩.৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার। নাসা আর্থ অবজারভেটরির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭৮ সালের শেষে স্যাটেলাইট রেকর্ড শুরু হওয়ার পর বরফের ওই পরিমাণ সর্বনিম্ন। দক্ষিণ গোলার্ধে এখন শীত মৌসুম চললেও অ্যান্টার্কটিকায় বরফের পরিমাণ বৃদ্ধির গতি তুলনামূলকভাবে ধীর। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা, কারণ সাগরে বরফের পরিমাণ কমে গেলে গুরুতর পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে বিশ্বের মানুষ। সাগরে বরফ যত গলতে থাকবে, পানির উচ্চতা তত বৃদ্ধি পেতে থাকবে। বিশ্বে উপকূলীয় অঞ্চলে বাস করা লাখ লাখ মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ ছাড়া বরফের পুরুত্ব কমে যাওয়ার ফলে সাগরের পৃষ্ঠতলের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে। সাগর উষ্ণ হয়ে ওঠার অর্থ সেখানে বরফ জমাট বাঁধতে সমস্যা বাড়বে। এ বছর রেকর্ড বরফ ভাঙার কারণ জানা যায়নি। স্যাটেলাইট ডেটার ঘাটতির কারণে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়ে বলতে পারছেন না, সাগরে বরফের পরিমাণ হ্রাস প্রাকৃতিক নাকি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হচ্ছে। ১০ হাজার সম্রাট পেঙ্গুইনের ছানা মৃত্যুর ঘটনাকে বিপর্যয়কর অভিহিত করে গবেষণা প্রতিবেদনের প্রধান লেখক পিটার ফ্রেটওয়েল বলেন, ‘এক ঋতুতে এত বিপুল সংখ্যক সম্রাট পেঙ্গুইনের মৃত্যু এর আগে আমরা দেখিনি। সাগরে বরফের পরিমাণ কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা পৃথিবীর অনেক স্থানের আবহাওয়ায় পরিবর্তন দেখব। এর পরিণতি কী হবে, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই।’ সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচারের (ডব্লিউডব্লিউএফ) মেরু অঞ্চলের প্রধান উপদেষ্টা রড ডাউনি বলেন, ‘আমরা যদি এখনই পদক্ষেপ না নিই, তাহলে সম্রাট পেঙ্গুইন বিলুপ্ত প্রাণীতে পরিণত হবে। গড় হিসাবের সঙ্গে তুলনা করলে এ বছর ১০ লাখ বর্গমাইল এলাকাবিস্তৃত বরফ হারায় অ্যান্টার্কটিকা। এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ঘটনা। মেরু অঞ্চল নিয়ে আমি ১৬ বছর কাজ করছি। এ ধরনের ঘটনা এই দীর্ঘ সময়ে আমি দেখিনি। বৈশি^ক গড় তাপমাত্রা সীমার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি অ্যান্টার্কটিকা মহাসাগর রক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ 

গ্রিন হাউজ গ্যাস

পেঙ্গুইনের বিবর্তন অন্য প্রাণীর তুলনায় ধীর হওয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তাদের ওপর নেতিবাচকভাবে পড়ছে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। গত বছর সায়েন্টিফিক জার্নাল নেচার কমিউনিকেশনসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ গোলার্ধের আদি পেঙ্গুইন নতুন পরিবেশের সঙ্গে সহজে খাপ খাইয়ে নিতে পারত। কিন্তু আধুনিক যুগের পেঙ্গুইন দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় নিচ্ছে।’ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সম্রাট পেঙ্গুইনের বাসস্থান অ্যান্টার্কটিকার বরফ উদ্বেগজনক হারে গলছে। এভাবে চলতে থাকলে ২১০০ সালের মধ্যে এই প্রজাতির পেঙ্গুইন বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে মনে করছেন গবেষকরা। বিজ্ঞান সাময়িকী গ্লোবাল চেঞ্জ বায়োলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, যে হারে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন করা হচ্ছে, ২১০০ সালের মধ্যে ৯৮ শতাংশ সম্রাট পেঙ্গুইন পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে। কিছু পেঙ্গুইন হয়তো বেঁচে থাকবে কিন্তু তাদের সংখ্যা এতই কম হবে যে, একপর্যায়ে অ্যান্টার্কটিকায় গোটা প্রজাতির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। ওই প্রতিবেদনে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়, অ্যান্টার্কটিকার যেসব এলাকায় সম্রাট পেঙ্গুইন বাস করে, তার ৭০ শতাংশ এলাকায় তিন দশক অর্থাৎ ২০৫০ সালের মধ্যে পেঙ্গুইন অর্ধেক বিলুপ্ত হবে যদি না গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সংস্থা ইউএস ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিসের উপপরিচালক মার্থা উইলিয়ামস বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নীতিনির্ধারকরা আজ ও আগামী কয়েক দশকে যে সিদ্ধান্ত নেবেন, তার ওপর নির্ধারিত হবে অ্যান্টার্কটিকার সম্রাট পেঙ্গুইনের ভাগ্য।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত