বৃহস্পতি ও শুক্রবার পানিবন্দি ছিল রাজধানীর নিউমার্কেট। আজ শনিবার পানি নেমে গেলেও ক্ষতচিহ্ন রয়ে গেছে। সকাল থেকে ব্যবসায়ীরা ব্যস্থ ভিজে যাওয়া মালামাল শুকানোর কাজে। চেহারায় দুশ্চিন্তার ছাপ নিয়ে ভিজে যাওয়া জিনিস পত্র দোকানের বাইরে বের করে রোদে শুকানোর চেষ্টা করছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্ট হয়। কিছু কিছু এলাকায় শুক্রবারও (২২ সেপ্টেম্বর) পানি ছিল। রাজধানীর নিউমার্কেটে শুক্রবার দিনভর পানি জমে থাকার কারণে মার্কেটের ভেতরের পানি অপসারণে সন্ধ্যায় ‘সাকার’ মেশিন নিয়ে আসা হয়।
বৃষ্টির জমা পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে মার্কেটের লাখ লাখ টাকার পণ্যসামগ্রী। ফলে পানি নেমে গেলেও ক্ষতচিহ্ন রয়ে গেছে।
নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বলেন, সরকারী ছুটি থাকায় শুক্র ও শনিবার (২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর) নিউমার্কেট এলাকায় বেঁচা কেনা হয় সবচেয়ে বেশী। অথচ এ দু'দিন বিক্রি তো দূরের কথা কার্যত মার্কেট ই ছিল পানিবন্দি। দোকানে পানি ঢুকে মালামাল ভিজে গেছে। অনেক কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়াও অন্যান্য অনেক কিছুই নষ্ট হয়ে গেছে।
শনিবার পানিতে ভেজে যাওয়া মালামাল শুকাতে ব্যস্থ ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, বিভিন্ন ধরনের কাপড়, জুতা, বই, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি দামি ব্যাগ-লাগেজ এমনভাবে নষ্ট হয়েছে যে আর ব্যবহার করা যাবে না।
এ ছাড়া মার্কেটের বেশীরভাগ দোকানের ডেকোরেশনের জিনিস পাতলা কাঠ বা পার্টেক্রের তৈরি যা পানিতে ভিজে ফুলে ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে গেছে।
এদিকে পানিতে ভিজে জরুরী হিসাবের খাতাপত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তা বাড়ছে ব্যবসায়ীদের।
নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি দেওয়ান আমিনুল ইসলাম জানান, শুধু নিউমার্কেটেই ৫০০ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কমপক্ষে ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এরসাথে শুক্র ও শনিবার মার্কেট বন্ধ থাকার ক্ষতি যোগ করলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।
নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী মো. ইমরান বলেন, বৃষ্টিতে অনেক মালামাল ভিজে গেছে বলে গিয়েছিল। দুই-তিন লাখ টাকার মালামাল পানিতে ভিজে নষ্ট হয়েছে।
