বরগুনার সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ‘দৈনিক কালবেলার’ তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি মো. নাঈম ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। গত বুধবার বরিশালে সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে এই মামলা করেন নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক ল্যাব নামে ওই প্রতিষ্ঠানে রিসেপশনে কর্মরত মোসাম্মৎ শিরিন। নাঈম উপজেলা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।
জানা যায়, বরিশালের আগৈলঝাড়া কোদালধোয়া গ্রামের ডাক্তার সুমন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বরগুনা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার থাকার সময় উপজেলার একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিকে রোগী দেখতেন। এই সময় শিরিন নামে এক নারীর সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর গত ৬ জানুয়ারি বিয়ে করেন তাকে। বিয়েতে যেখানে নিজের নাম বদলে রাখা হয় সুমন খন্দকার। ৫ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে এই বিয়ের হলফনামায় আইনজীবী মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সিল ও স্বাক্ষর রয়েছে। এরপর বেশ কিছুদিন বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান এই দম্পতি। এর মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা হন। তবে চিকিৎসক তাকে গর্ভপাত বাধ্য করেন। এই নিয়ে র্যাব-৮ কে করা এক অভিযোগে এই নারী বলেন, চিকিৎসকের ছদ্মবেশে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেছেন।
ওই নারীর অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসক সুমন নিজের এক আইনজীবী বন্ধুকে দিয়ে নিজেকে মুসলিম করতে ভুয়া নোটারি পাবলিক করে এই বিয়ে করেন। তবে এই সব নিয়ে দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করলেন মোসাম্মৎ শিরিন।
তিনি মামলায় উল্লেখ করেন, ডাক্তার সুমন বিশ্বাসের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেছে তারা। তাদের এই ছবি ও ভিডিও দিয়ে কালবেলায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ মামলার ১ নম্বর সাক্ষী সুমন বিশ্বাসের সম্মানহানি হয়েছে।
দৈনিক কালবেলার তালতলী উপজেলা প্রতিনিধি নাঈম ইসলাম বলেন, মোসাম্মৎ শিরিন ডাক্তার সুমনের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী র্যাব-৮ বরাবর একটি অভিযোগ করেন, সেই অভিযোগপত্রে যা উল্লেখ করা আছে তাই দিয়ে নিউজ করা হয়েছে।
