বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৩, ১২:৩৮ এএম

উদ্বোধনী ম্যাচে যা ঘটেছিল, সেটা অতীত। এখন ইংল্যান্ডের লক্ষ্য হওয়া উচিত সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। তাদের পরবর্তী ম্যাচ আজ বাংলাদেশের সঙ্গে। সেটা জিতে তাদের বিশ্বকাপ অভিযানে প্রথম জয়ের দেখা পেতে পারে। বাংলাদেশের চেয়ে তারা শক্তিশালী হলেও তাদের কোনো দিক দিয়েই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ ধর্মশালায় ইংল্যান্ডের এটা প্রথম ম্যাচ। বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে হারিয়েছে এ মাঠেই। তাই এখানকার আউটফিল্ডে ইতিমধ্যেই তারা অভ্যস্ত।

ইংল্যান্ড নিশ্চয়ই বাংলাদেশের খেলাটি ভালোভাবে লক্ষ করেছে। বাংলাদেশ কীভাবে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে, সেদিকেও নজর দেবে। ম্যাচের পরিকল্পনাও সেভাবে সাজাতে হবে তাদের। আগের ম্যাচে ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্র ইংলিশ বোলারদের ভুগিয়েছে। সেই ম্যাচে ইংল্যান্ডের বোলাররা ব্যর্থ হয়েছে। ক্রিস ওকস, মার্ক উড ছিল ভীষণ খরুচে। স্যাম কারান একটা উইকেট পেলেও ৬ ওভারে দিয়েছে ৪৭ রান। ব্যাটসম্যানদের ফাঁদে ফেলতে পারেনি আদিল রশিদ, মইন আলিরাও।

কনওয়ে আর রাচিনের জুটি ইংল্যান্ডকে থামিয়ে দেয়। প্রথম খেলায় দুর্দান্ত প্রতিপক্ষকে যেভাবে মোকাবিলা করা প্রয়োজন ছিল, সেটা পারেনি জস বাটলাররা। যার অন্যতম কারণ হতে পারে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া। তা ছাড়া প্রথম ম্যাচের আগে তারা নিজেদের প্রস্তুত করার জন্য যথেষ্ট সময়ও পায়নি। তবে হতাশার কোনো কারণ নেই। সেই ম্যাচ এখন অতীত। এটাকে মুছে ফেলে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমাদের ইতিবাচক দিক হলো দলে আছে জো রুট। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে সবাই যখন ধুন্ধুমার ব্যাট চালাচ্ছিল, সে তখন ঠিক শান্ত মেজাজে ব্যাট করছিল। যদিও এ ধরনের ব্যাটিং কখনো কখনো দলের বর্তমান প্রত্যাশার বিপরীত। তবে ধর্মশালার উইকেটে যে ধরনের আচরণ লক্ষ করা গেছে, তাতে তার মতো একজন ব্যাটসম্যানই মূল ভূমিকা পালন করতে পারে।

লেখক : সাবেক ইংলিশ ব্যাটসম্যান

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত