মানবতাবিরোধী অপরাধ

ছয় বছর পর কোনো আপিলের রায় হতে যাচ্ছে ৭ নভেম্বর

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৫:৩১ পিএম

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামালপুরের শামসুল হকের আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আসামির রায় জানা যাবে আগামী ৭ নভেম্বর। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগ আজ বুধবার শুনানি শেষে এ দিন ধার্য করে। গত ১২ জুলাই শামসুলের আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। এর মধ্য দিয়ে সাড়ে ছয় বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্ত ও আপিলকারী কোনো আসামির রায় হতে যাচ্ছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১০ বছরের বেশি সময় আগে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। আপিলের শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তার সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় হয় আপিল বিভাগে। এরপর রায় রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদনের পর ২০১৭ সালের ১৫ মে সাঈদীর আমৃত্যু সাজা বহাল থাকে। সাজা ভোগরত অবস্থায় গত ১৪ আগস্ট হাসপাতালে মারা যান সাঈদী। ছয় বছর পাঁচ মাস আগে সাঈদীর মামলা নিষ্পত্তির পর মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত আর কোনো আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি।

একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ ও নির্যাতনের মত মানবতবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই ট্রাইব্যুনাল এক রায়ে জামালপুরের আশরাফ হোসেন, আব্দুল মান্নান ও আব্দুল বারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এই মামলায় শামসুল হক, শরীফ হোসেন, মো. আবুল হাশেম, মো. হারুন ও এস এম ইউসুফ আলীকে দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ড। আমৃত্যু সাজা থেকে খালাস চেয়ে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করেন শামসুল। এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি শুনানিতে আসে। তার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান। তাকে সহযোগীতা করেন আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল আলম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাইফুল আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ট্রাইব্যুনালে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে শামসুল হক ও ইউসুফ আলী কারাগারে থাকায় আপিলের সুযোগ পান। এর মধ্যে ইউসুফ আলী আপিল নিষ্পত্তির আগেই মারা যান। অন্য আসামিদের মধ্যে ছয়জন এখনো পলাতক।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত