কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৩, ০২:৪১ এএম

রাজনৈতিক সদিচ্ছা না থাকলে শিশু, কিশোর বা গ্যাং কালচারের অপরাধে জড়িতদের নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। কিশোরদের সংঘবদ্ধ অপরাধ রোধে প্রশাসন, গণমাধ্যম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, রাজনৈতিক দল ও মিডিয়ার ভূমিকা এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। এর আয়োজন করে বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ)।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ব্যারিস্টার শেখ হাসান আরিফ বলেন, শুধু আইনের কঠোরতা দিয়ে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এর নেপথ্যে মদদদাতাদের চিহ্নিত করে তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। কিছু কিছু রাজনৈতিক নেতা তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে কিশোরদের ব্যবহার করে; যা মোটেই কাম্য নয়। তাই কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক উচ্চপর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, ‘এক তথ্যমতে, বাংলাদেশে

এক-তৃতীয়াংশ, অর্থাৎ ৫ কোটি ৭০ লাখ শিশু-কিশোর। তাদের বিকাশের জন্য যা যা প্রয়োজন, সেটা যদি আমরা করতে না পারি, তাহলে এটা সামাজিক ও রাষ্ট্রের একটা বড় অসংগতি।’

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার রুবাইয়াত জামান বলেন, ‘আমরা আটকের পর তাকে সংশোধন প্রসেসে যাচ্ছে। মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে দেখি, সেখানে গিয়ে সে আরও বড় ধরনের সংঘাতের প্রস্তুত হয়ে ওই শিশু বাইরে আসছে এবং সে সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। বিষয়টি দুঃখজনক। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বিষয়টি এ রকমই।’  

বিএইচআরএফ চেয়ারপারসন মানবাধিকার নেত্রী অ্যাডভোকেট এলিনা খানের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএইচআরএফ মহাসচিব অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত