ময়মনসিংহের গৌরীপুরের সিধলা ইউনিয়নের মানাটি গ্রামে ইয়াসিন মিয়া ওরফে শরীফ (১৭) নামে এক কলেজছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার দিকে মানাটি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় সড়কের ওপরেই তার পাঁজরে ছুরিকাঘাত করেন প্রতিবেশী এরশাদ মিয়া (৪০)।
নিহত কলেজছাত্র ইয়াসিন ওরফে শরীফ ওই গ্রামের সবুজ মিয়ার একমাত্র ছেলে। তিনি শ্যামগঞ্জ হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের একাদশ প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। ছুরিকাঘাত করা প্রতিবেশী এরশাদ মিয়া মৃত হাসেম মিয়ার ছেলে।
মানাটি গ্রামে গেলে পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, সকালে চুল কাটার জন্য বাজারে যাওয়ার সময় প্রতিবেশী এরশাদ ইয়াসিনের বুকের পাঁজরে ছুরি ঢুকিয়ে দেয়। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এসে এরশাদকে ছুরিসহ গ্রেপ্তার করে।
নিহতের মা শরীফা আক্তার বলেন, ‘আমার ছেলের জন্য স্যারেরা বই, ব্যাগ কিইনেয়া দিছে, বাড়িতে লইয়া আইছে। বাড়ি থাইকা চুল কাটার জন্য মানাটি বাজারে যাচ্ছিল। পথের মধ্যে আমার একমাত্র ছেলেটারে ছুরি দিয়া মাইরালাইছে। আমি এরশাদের ফাঁসি চাই।’
নিহতের দাদি শুক্কুরী বেগম বলেন, ১০-১২ দিন আগেও তারা আমাদের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
অপরদিকে, টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে বাড়িতে হামলা চালিয়ে আব্বাস আলী (২৫) নামে এক তরুণকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা ও তার ভাই আকতার হোসেনকে আহত করা হয়েছে। নিহত আব্বাস আলী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের বেড়ীপটল গ্রামের মৃত কাশেম আলীর ছেলে।
নিহতের ভাই আশরাফুল আলম বলেন, ‘আমার ভাই আকতার পাশর্^বর্তী টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চরপৌলী গ্রামের মোমিন হোসেনের কাছ থেকে বাকিতে ২০০০ টাকার একটি মোবাইল ফোন ক্রয় করে। সেই বাকি টাকা দিতে দেরি হওয়ার কারণে গত মঙ্গলবার বিকেলে বাড়িতে রামদা, লাঠিসোঁটা, দলবল নিয়ে হামলা করে চরপৌলী গ্রামের মোমিন, নুরুসহ অজ্ঞাত কয়েকজন। তারা আমার ভাই আব্বাসকে কুপিয়ে খুন করেছে।
