অনেক চেষ্টাতেও রহমতগঞ্জের জালে বল পাঠাতে পারছিল না আবাহনী। তবে শেষ ১৭ মিনিটে দুই গোল করে আবাহনী। ‘বি’ গ্রুপে টানা দ্বিতীয় জয়ে স্বাধীনতা কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে আকাশি-নীল জার্সিধারীরা। বি গ্রুপে নিজেদের আগের ম্যাচে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে একই ব্যবধানে হারিয়েছিল ক্রুসিয়ানির দল।
বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় শুরু থেকে রক্ষণ জমাট রেখে খেলতে থাকা রহমতগঞ্জকে তেমন পরীক্ষায় ফেলতে পারছিল না আবাহনী। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়। দ্বিতীয়ার্ধেও রহমতগঞ্জ আগের মতোই রক্ষণে আবাহনীকে আটকে রেখে খেলতে থাকে। ৬৬ মিনিটে সতীর্থের লম্বা ক্রসের নাগাল স্টুয়ার্ট কর্নেলিয়াস পেলে বিপদ হতে পারত রহমতগঞ্জের। গোলকিপার মোহাম্মদ নাঈম পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে আক্রমণ ভেস্তে দেন। ৭৩ মিনিটে স্পট কিক থেকে ম্যাচে আবাহনীকে এগিয়ে দেন স্টুয়ার্ট। বক্সে এই ফরোয়ার্ডকেই গোলকিপার নাঈম শেখ ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। ৮৩ মিনিটে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা স্টুয়ার্টকে আটকাতে বক্স ছেড়ে অনেকটা বেরিয়ে আসেন গোলকিপার, তাকে কাটালেও শট না নিয়ে তিনি ক্রস বাড়ান জোনাথন ফার্নান্দেসের উদ্দেশ্যে। ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে খুঁজে নেন জোনাথন।
‘বি’ গ্রুপের আরেক ম্যাচে মুন্সীগঞ্জের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট (লে.) মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে দীপক রায়ের একমাত্র গোলে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিপক্ষে জিতেছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেরা আটের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে তারা। দুই ম্যাচে এক ড্রয়ে ১ পয়েন্ট নিয়ে চার দলের গ্রুপে তৃতীয় স্থানে আছে রহমতগঞ্জ।
এদিকে ২০২১ সালে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমিত হওয়া ব্রাদার্স শীর্ষ পর্যায়ে ফিরেছিল স্বাধীনতা কাপ দিয়ে। কিন্তু ‘এ’ গ্রুপে দুই ম্যাচ হেরেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিল গোপীবাগের দলটি। গতকাল কিংস অ্যারেনায় শেখ জামালের কাছে ০-৪ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। প্রথমার্ধে বিদেশি ফুটবলার হিগোরের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল শেখ জামাল। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুই গোল হজম করলে বড় ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ব্রাদার্সকে। প্রথম ম্যাচের জয়েই তিন দলের গ্রুপ থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে শেখ জামাল। বাংলাদেশ পুলিশও শেষ আটে উঠে গেছে। ২ নভেম্বর পুলিশ-জামাল ম্যাচে নির্ধারিত হবে গ্রুপ সেরা।