শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিরোধী দলগুলোর ডাকা টানা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধের প্রথম দিনে আজ রবিবার দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় গণঅধিকার পরিষদ (রেজা কিবরিয়ার অংশ) মিছিল করেছে। মিছিলে গণঅধিকার পরিষদের একাংশের শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। মিছিলটি পুরানা পল্টন হয়ে জামান টাওয়ারে এসে শেষ হয়।
গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) ফারুক হাসান বলেন, সরকার আন্দোলন দমাতে বিরোধী দলের নেতাদের একের পর এক গ্রেপ্তার করছে। তারা মনে করছে গ্রেপ্তার করলেই বোধহয় আন্দোলন থেমে যাবে। শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আমাদের যে চলমান কর্মসূচি এটি সামনে আরো বেগবান করা হবে। সরকার আমাদের এই একদফার চলমান আন্দোলন দমাতে হামলা মামলা থেকে শুরু করে আমাদের পরিবারবর্গের উপরেও জুলুম নির্যাতন চালাচ্ছে। আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে, নেতাকর্মীদের না পেলে মা বোনদের সাথে খারাপ আচরণ করছে।
ফারুক হাসান আরো বলেন, অনেক নেতাকর্মী পরিবারের সদস্যদের আটক পর্যন্ত করছে তারা। আওয়ামী সরকার এই আচরণ করে শেষ রক্ষা পাবে না। সরকারের বিদায় ঘণ্টা বেজে উঠেছে, এই সরকারের পতন সন্নিকটে।
মিছিলে অংশ নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একাংশের যুগ্ম আহ্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল মিয়া মজিউজ্জামান বলেন, এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার নয়। আওয়ামী সরকারর ক্ষমতায় থাকার কোনো বৈধতা নেই, তাদের বিদায় নিতেই হবে। আমরা এই সরকারের পতনে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো। জেল-জুলুম আমাদের দমাতে পারবে না। আমাদের সবাইকে আটক করা হলে জনগণ তাদের টেনে নামাবে, যেভাবে শ্রীলঙ্কার সরকারকে নামিয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদের একাংশের যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান বলেন, আমরা আমাদের এ লড়াই চালিয়ে যাবো; যতক্ষণ না পর্যন্ত শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন। সরকারের হামলা মামলা খেলার মধ্যেই আমরা আমাদের সংগ্রামকে বেগবান করবো। এবার আমরা শপথ করেছি, বিজয় না আসা পর্যন্ত লড়াই চলবে।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের একাংশের যুগ্ম আহবায়ক আরিফুর রহমান তুহিন, সহকারী আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শিরিন আক্তার, কেন্দ্রীয় সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম, মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, মোজাম্মেল মিয়াজি, ইমামউদ্দিন, জিয়াউর রহমান জিয়া, ছাত্র অধিকার পরিষদের সেক্রেটারি মুনতাসীর মাহমুদ, রুবেল হোসেনসহ অনেকেই।
