অনেকেই ইতস্তততায় পড়ে যান চাকরি ছাড়তে গিয়ে। কীভাবে কর্তৃপক্ষকে বলবেন। কেমন রিজাইন লেটার লিখবেন। যখন রিজাইনের জন্য বা অব্যাহতির জন্য আবেদন করবেন। তার ১ মাসের মধ্যেই আপনার দেওয়া তারিখ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান অব্যাহতির জন্য অনুমোদন দেবে। প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেওয়ার পর আপনাকে একটা অব্যাহতিপত্র বা অভিজ্ঞতাপত্রও দেবে। নতুন চাকরিতে যোগদান করতে গেলে আপনার অব্যাহতি বা অভিজ্ঞতাপত্র দরকার হবে। যদি আপনাকে অভিজ্ঞতাপত্র দেয় তবে নতুন চাকরিতে অনেক ক্ষেত্রেই আপনি অগ্রাধিকার পাবেন। প্রত্যেক কোম্পানিই অভিজ্ঞ কর্মচারীর ব্যাপারে আগ্রহ থাকে।
রিজাইন লেটার বাংলায় না ইংরেজিতে লিখবেন এটা নিয়ে অনেকেরই দ্বিধা থাকে। এ ক্ষেত্রে দেশের কোন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন এবং প্রতিষ্ঠান যদি বাংলাকে অগ্রাধিকার দেয় তবে বাংলাতেই লিখতে পারবেন। আর যদি আপনি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করেন এ ক্ষেত্রে ইংরেজিতে লিখতে পারেন।
লেখার নিয়মকানুন : অব্যাহতিপত্র কম্পিউটারে টাইপ করা এ-ফোর কাগজে তৈরি করতে হবে। যে দিন আবেদনটি জমা দেবেন, সে দিনের তারিখ দিতে হবে। তারিখের পর সাধারণভাবেই কার কাছে আবেদনটি করছেন তা বরাবর লিখে নিচে তার নাম এবং কোথায় আবেদনটি যাচ্ছে তার ঠিকানা লিখে দিতে হবে। আবেদনের শেষে আপনার নাম, বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল নম্বর দেবেন। অব্যাহতিপত্রে কত তারিখ এবং সাল এই চাকরিতে কোন পদে যোগদান করেছেন তা লিখতে হবে। কত তারিখে আপনি প্রতিষ্ঠান হতে অব্যাহতি চান তাও লিখতে হবে। মালিক পক্ষকে আপনার আবেদন অনুমোদন এবং নতুন কর্মচারী নিয়োগ দেওয়াসহ এক মাসের সময় দিতে পারেন। কিন্তু আপনার যদি কোনো চাকরিতে ১ সপ্তাহ বা তার চেয়েও কম সময়ের মাঝে জয়েন করতে হয় তাহলে, মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সংক্ষিপ্ত সময়ের মাঝেই অব্যাহতি নিতে পারবেন।
শুরুটা কেমন হবে : অব্যাহতিপত্র শুরুর লেখা এমনভাবে লিখুন, যেন যিনি পড়বেন তিনি পুরোটা পড়তে আগ্রহী থাকেন।
সঠিক কারণ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করুন।
শেষটা কী হবে : আবেদনকারীর পদবি নাম-ঠিকানা ফোন নম্বর বা আইডি কার্ড কোড লিখতে হবে আবেদনের শেষে। অব্যাহতিপত্রে যেন প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনার আন্তরিকতা ও আনুগত্য প্রকাশ পায়।
