আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া জবাব দিতে চান বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮০ শতাংশ ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে আনতে শিক্ষকদের দায়িত্ব নিতে হবে। আর তরুণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্র আনতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিশেষ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাহলে যুক্তরাষ্ট্রসহ যারা এ দেশের নির্বাচন নিয়ে নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে, তাদের কঠোর জবাব দেওয়া যাবে।’
গতকাল শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অপরাজনীতির প্রতিবাদে’ শিক্ষকদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘এডুকেশন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষসহ সিনিয়র শিক্ষকরা এতে অংশ নেন।
অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতাবিরোধীরা আবার হত্যা, সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করেছে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, আগামী জানুয়ারিতে আবার বিজয় উৎসব হবে। সেই নির্বাচনে ৮০ শতাংশ ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। সে ক্ষেত্রে তরুণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য শিক্ষকরা মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারেন।’
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান বলেন, ‘আজকে যে দলটি আন্দোলন করছে, তাদের জন্ম হয়েছে ক্যান্টনমেন্টে। তাদের আদর্শে রয়েছে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস আর স্বাধীনতার বিরোধিতা। অন্যদিকে বাংলাদেশ চলছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনার ভিত্তিতে। সেই চেতনার বাইরে গিয়ে রাজনীতি করলে তাদের পতন অনস্বীকার্য। তারা রাজনৈতিক ময়দান থেকে বিলীন হয়ে যাবেন এটাই স্বাভাবিক।’
যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘অস্ত্র ও মাদক ব্যবসা যাদের অন্যতম উদ্দেশ্য, তারাই আমাদের সবক দিতে আসছে। গাজায় শিশুহত্যা হচ্ছে, সেখানে তোমাদের বিবেক কোথায়? এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ যেন স্বাধীন হতে না পারে, সে জন্য সপ্তম নৌবহর পাঠিয়েছিল। এবারও দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে বিএনপি-জামায়াতকে মাঠে নামিয়েছে তারা।’
