গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বপ্নের গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক ক্যান্সার হাসপাতালে যোগ দিয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউটের ক্যান্সার ইপিডেমিওলজি বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ও বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।
মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান। হাসপাতালটিতে তিনি প্রকল্প সমন্বয়কারী ও প্রিভেন্টিভ অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
এ ব্যাপারে এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, ‘ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন আজীবন যোদ্ধা। তার আরেক স্বপ্নের নাম গণস্বাস্থ্য ক্যান্সার হাসপাতাল। এর বাস্তবায়ন করে যেতে পারেননি তিনি। অকালমৃত্যু কেড়ে নিয়েছে তার মৃত্যুহীন প্রাণ। ধানমন্ডির নগর হাসপাতালে শুরু করেছেন ক্যান্সার বিভাগ। ক্যান্সার চিকিৎসার বিকিরণ থেরাপির অত্যাধুনিক ব্রাকিথেরাপি মেশিন এনে চালু করেছেন।’
এই চিকিৎসক জানান, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ক্যান্সার বিভাগ চালু আছে। একে সমন্বিত বা কমপ্রিহেন্সিভ অবয়ব দিতে হবে। মেডিকেল, সার্জিকেল, রেডিয়েশন, গাইনি, শিশু ক্যান্সারসহ অন্যান্য বিভাগের একটি সমন্বিত ব্যবস্থা থাকবে। প্রিভেন্টিভ অনকোলজি বিভাগ চালু করে সচেতনতা কার্যক্রম ও স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে স্তন, জরায়ুমুখ ও মুখের ক্যান্সারের জন্য। প্যাথলজি ও রেডিওলোজির আধুনিক যন্ত্রপাতি যুক্ত হবে।
এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা গণস্বাস্থ্যের উপকেন্দ্রগুলোতে টেলিমেডিসিনভিত্তিক অনলাইন স্যাটেলাইট ক্যান্সার ক্লিনিক চালু হবে। এভাবেই ধাপে ধাপে রেডিওথেরাপির ব্যবস্থাসহ পূর্ণাঙ্গ সমাজভিত্তিক ক্যান্সার হাসপাতাল হবে।
ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে অবসরে যান। এরপর থেকে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশব্যাপী ক্যান্সার সচেতনতা নিয়ে কাজ শুরু করেন। দেশজুড়ে তার ‘গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা’ ও ‘জননীর জন্য পদযাত্রা’ বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
