১৯৮৩ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের অনির্বচনীয় স্বাদ পেয়েছিল ভারত। কপিল দেবের অসাধারণ নেতৃত্বে সেবার ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দিয়েছিল উপমহাদেশের দলটি। ২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে হয়ে গেল ওয়ানডের আরেকটি বৈশ্বিক আসর। যেখানে ফাইনাল খেলল স্বাগতিকরা। অথচ অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে সেই লড়াইয়ে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেবকেই আমন্ত্রণ করল না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই।
আহমেদাবাদের ফাইনালে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা ঘরে তোলে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচটি দেখতে ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জেতা দলের সতীর্থদের নিয়ে মাঠে যেতে চেয়েছিলেন কপিল। কিন্তু বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে তো তাদের আমন্ত্রণই করা হয়নি।
নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনাল মাঠে বসে খেলা দেখেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীসহ সাবেক ক্রিকেটারদের অনেকে। কিন্তু কপিল যাননি। কিংবদন্তি এই অলরাউন্ডারকে বিসিসিআইয়ের আমন্ত্রণ না জানানোয় ভারতীয় ক্রিকেটে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
বিশ্বকাপ ফাইনালে কেন যাননি, এমন প্রশ্নের জবাবে কপিল বলেন, ‘আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তারা আমাকে ফোন করেনি বলে আমিও যাইনি। আমি ’৮৩-র বিশ্বকাপজয়ী দলের সবাইকে নিয়ে সেখানে যেতে চেয়েছিলাম। মনে হয় এত বড় একটা ইভেন্ট করতে গিয়ে, নানা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ভুলে গেছে।’
ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই সূত্রে এনডিটিভি জানিয়েছে, ভারতের ২০০৩ বিশ্বকাপের অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলিকে ফাইনাল দেখতে বিসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বোর্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কর্মকর্তাদের আমন্ত্রণ করাটা বিসিসিআইয়ের রীতি।
কপিলের মতো ভারতের ২০১১ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকেও মাঠে দেখা যায়নি। যদিও এ–সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কদের আমন্ত্রণ জানানোর খবর প্রকাশ হয়েছিল। যদিও ফাইনালে তেমন কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন দেখা যায়নি।
