মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, বিএনপি বার বার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার বিকল্প কোনো পথ নেই। কিন্তু তারা কিভাবে ক্ষমতায় যেতে চায়? এটা আমার জানা নাই। কাজেই তাদের এটা ভুল সিদ্ধান্ত। বিগত দিনেও এটা বার বার প্রমানিত হয়েছে, ভবিষতে এটা প্রমাণিত হবে। নির্বাচনে না আসা তাদের সিদ্ধান্ত ভুল। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো উপায় নেই। আর আমরা সব সময় প্রতিযোগিতা বিশ্বাস করি। কিন্তু তাদের কি এমন দুর্বলতা? হয়তো তাদের শাসন আমলে সীমাহীন ব্যর্থতা ও দুর্নীতি ইত্যাদি কারণে তারা জনগণকে মোকাবিলা করতে ভয় পায় বলে আমার ধারণা।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুরাদ কবীর, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সিকদার মোশারফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর আলী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তুষার, কালিয়াকৈর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সরকার মোশারফ হোসেন জয়, সাধারণ সম্পাদক সিকদার জহিরুল ইসলাম জয়সহ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
এসময় দলের একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিষয়ে নৌকার এ প্রার্থী বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যারা আসছেন, তারাও দলের লোক। এটা কোনো সমস্যা নয়। একাধিক প্রার্থী তাদের কথা বলতে পারে ও চাইতে পারে। তবে জনগণ কখনো সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে না। এদেশের ভোটাররা সারা জীবনই এটা প্রমাণ করেছেন। কাজেই আগামী সিদ্ধান্ত জনগণ ভুল করবে না। এটা আমি শতভাগ আস্থা রাখি। শুধু গাজীপুর-১ আসনেই নয় সারা দেশেই এরকম প্রার্থী আছে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা ভোটারদের কাছে যাব, তাদের সাথে সাক্ষাৎ করব। সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে জনগণের কাছে ভোট চাইব। তাদের বলব আমি একজন একটি দলের প্রার্থী। আমাদের দলের যে ম্যানিফেস্টো আছে, সেটা বাস্তবায়নের জন্য জনগণের রায় চাইব। বাকিটা জনগণের ইচ্ছা। তবে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজওয়ার আকরাম সাকাপি ইবনে সাজ্জাদ জানান, গাজীপুর-১ আসনে নৌকার মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও এ পর্যন্ত ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। আগামী ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে। আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বর। এছাড়া ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ এবং ৫ জানুয়ারি থেকে প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে। ৭ তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে নির্বাচনী মাঠে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
