এখন থেকে গুগলের ‘লার্জ ল্যাংগুয়েজ মডেল (এলএলএম)’-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর গান শোনার ধরন শনাক্ত করে এর ভিত্তিতে স্পটিফাইয়ের নির্দিষ্ট কয়েকটি পডকাস্ট ও অডিওবুকের পরামর্শ তালিকা তৈরির সুযোগ পাবে। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি ও গুগলের বার্ডের মতো বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত ‘এলএলএম’-এ এমন বিশাল ডেটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা থেকে টেক্সট বা অন্যান্য কনটেন্টও তৈরি করা সম্ভব।
গুগল ক্লাউডেও এমন বেশ কিছু এলএলএম রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে ধরা যায়, ‘পাএলএম২’, ‘কোডি’, ‘ইমাজেন’ ও ‘চার্প’, যেগুলো বিভিন্ন টেক্সট, কোড, ছবি, অডিও ও ভিডিও তৈরির বিষয়টি মাথায় রেখে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এক দশক আগেই নিজস্ব গানের সুপারিশ তালিকার একাধিক অ্যালগরিদমে এআই ব্যবহার শুরু করেছিল সুইডিশ এই স্ট্রিমিং জায়ান্ট। আর এখন পডকাস্ট ও অডিওবুকের মতো কনটেন্টেও কোম্পানিটি এ ধরনের এলএলএম ব্যবহারের লক্ষ্য স্থির করেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পডকাস্ট ও অডিওবুকের মতো লাভজনক খাত থেকে আয় বাড়ানোর উপায় খুঁজছে কোম্পানিটি। এর আগেও নিজেদের খরচ সাপেক্ষ পডকাস্ট ও অডিওবুক খাতের সম্প্রসারণ ঘটিয়ে বড় আর্থিক লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল স্পটিফাই। স্পটিফাইয়ের পণ্য ও প্রযুক্তি প্রধান গুস্তাভ সোডারস্ট্রম জানান, ‘আমাদের প্রযুক্তির বিবর্তন গুগল ক্লাউডের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে মিলে যায়, যা থেকে আমরা নিজস্ব পণ্যের জন্য সম্ভাব্য সেরা প্ল্যাটফর্ম বানাতে ও উদীয়মান জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির সক্ষমতা ব্যবহার করে আরও বেশি উদ্ভাবনের সুযোগ পাব।’
রয়টার্স প্রতিবেদনে জানায়, গুগলের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি এলএলএম ব্যবহার করে আগের চেয়ে নিরাপদে গান উপভোগের অভিজ্ঞতা দেওয়া ও সম্ভাব্য ক্ষতিকারক কনটেন্ট শনাক্ত করার মতো বিষয় নিয়েও কাজ করছে স্পটিফাই।
