৬২% ব্যবসায়ী ৬% রাজনীতিক

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:১৬ এএম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাঁচ জেলার প্রার্থীদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে ৬২ শতাংশই ব্যবসায়ী। অন্যদিকে রাজনীতিক আছেন মাত্র ৬ শতাংশ। ঢাকা জেলা ও মহানগরের ১ থেকে ১০ সংসদীয় আসন এবং বরিশাল, খুলনা, রংপুর ও রাজশাহী জেলার মধ্যে চারটির সব প্রার্থী ও একটির কয়েকজন প্রার্থীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকায় ৪৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩২, ছয়টি করে আসনে বরিশালে ৪৫ জনের মধ্যে ২৩, খুলনায় ২৯ জনের মধ্যে ১৮, রংপুরে ৩৪ জনের মধ্যে ২৬ ও রাজশাহীর ৩৮ জনের মধ্যে ২০ জন প্রার্থীই ব্যবসায়ী। এসব প্রার্থীর মধ্যে অন্তত ১৭ জন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়ায় হলফনামায় পেশার বিবরণে লিখেছেন, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসা। শুধু রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ১২ জন।

ঢাকা-১ থেকে ১০ আসনে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৮০ জন। এর মধ্যে ৪৭ জনের তথ্যে পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ করেছেন ৩২ জন। ছয়জন রয়েছেন রাজনীতিক। আর বাকিরা আইনজীবী, চিকিৎসক, অভিনেতা।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকার ১ থেকে ১০ আসন পর্যন্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে যথাক্রমে সালমান এফ রহমান ব্যবসায়ী, মো. কামরুল ইসলাম আইনজীবী, নসরুল হামিদ ব্যবসায়ী, সানজিদা খানম আইনজীবী, হারুনুর রশীদ মুন্না রাজনীতিক, মোহাম্মদ সোলায়মান সেলিম ব্যবসায়ী, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম রাজনীতিক, সাবের হোসেন চৌধুরী ব্যবসায়ী ও ফেরদৌস আহমেদ অভিনেতা।

জাতীয় পার্টির দপ্তর সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান দেশ রূপান্তরকে জানান, ঢাকা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত আসনে দলটির প্রার্থীদের মধ্যে যথাক্রমে সালমা ইসলাম, শাকিল আহমেদ শাকিল, মো. মনির সরকার, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, মীর আবদুস সবুর আসুদ, কাজী ফিরোজ রশীদ, তারেক এ আদেল, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, কাজী আবুল খায়ের, হাজী মো. শাহজাহান সবাই ব্যবসায়ী।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের (মুক্তিজোট) সব প্রার্থীই ব্যবসায়ী বলে দলটির প্রধান জানান। মুক্তিজোটের সংগঠনপ্রধান আবু লায়েস মুন্না জানান, ঢাকা-১, ৩, ৪, ৬, ৮ ও ৯ আসনে যথাক্রমে আবদুর রহিম, মো. রমজান, সাহেল আহম্মেদ সোহেল, মো. আকতার হোসেন, মো. রাসেল কবির ও মো. নুরুল হোসেন তারা সবাই ব্যবসায়ী।

ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের দপ্তর সূত্র নিশ্চিত করে, ঢাকা-৫ আসনে প্রার্থী আবু জাফর মো. হাবিবউল্লাহ পেশায় ব্যবসায়ী। ঢাকা-৮ আসনে দলের প্রার্থী এসএম সরওয়ার পেশায় চিকিৎসক। তৃণমূল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন মেজর (অব.) ডা. শেখ হাবিবুর রহমান জানান, ঢাকা-১, ৪, ৫, ৬ ও ৮ আসনে যথাক্রমে মুফিত খান ব্যবসায়ী, মো. রফিকুল ইসলাম ব্যবসায়ী, মো. আবু হানিফ হৃদয় রাজনীতিক, কাজী সিরাজুল ইসলাম ব্যবসায়ী ও এমএ ইউসূফ রাজনীতিক।

তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, ঢাকা-১ আসনে সাতজনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শামসুজ্জামান চৌধুরীর পেশায় ব্যবসায়ী এবং জাকের পার্টির লুৎফর রহমান রাজনীতি করেন।

ঢাকা-৩ আসনের ছয় প্রার্থীর মধ্যে জাকের পার্টির আবদুর রাজ্জাক রাজনীতি করেন। তিনি দলটির ঢাকা জেলার সভাপতি। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. জাফর ব্যবসা করেন।

ঢাকা-৪ আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে জাকের পার্টির রবিউল ইসলাম ব্যবসা করেন।

ঢাকা-৫ আসনে ১৩ প্রার্থীর মধ্যে সুপ্রিম পার্টির মোশাররফ হোসেন মিয়া ব্যবসা করেন। জাকের পার্টির মনি মোল্লা ব্যবসা করেন।

ঢাকা-৬ আসনের ৯ প্রার্থীর মধ্যে জাকের পার্টির তরিকুল ইসলাম ব্যবসা করেন।

ঢাকা-৭ আসনে ছয় প্রার্থীর মধ্যে সুপ্রিম পার্টির মোহাম্মদ আফসার আলী ও জাকের পার্টির বিপ্লব চন্দ্র বণিক ব্যবসা করেন।

ঢাকা-৮ আসনটির ১১ প্রার্থীর মধ্যে জাকের পার্টির মো. নজরুল ইসলাম লিটন ব্যবসা করেন।

ঢাকা-৯ আসনে আট প্রার্থীর মধ্যে জাকের পার্টির মফিজ উল্লাহ ও সুপ্রিম পার্টির মো. মাহিদুল ইসলাম ব্যবসা করেন।

এ ছাড়া ঢাকা-১০ আসনে তিন প্রার্থীর মধ্যে জাকের পার্টির হুমায়ুন কবির ব্যবসা করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে দাখিলকৃত হলফনামার তথ্যানুযায়ী, বরিশালের ছয়টি আসনের ৪৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ব্যবসায়ী রয়েছেন ২৩ জন। পাঁচজন রাজনীতিবিদ, চারজন আইনজীবী, দুজন বেসরকারি চাকরিজীবী, দুজন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, দুজন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী, একজন সাংবাদিক ও লেখক, একজন পেশাদার সংগীতশিল্পী, একজন কবি ও লেখক, একজন পরামর্শক, একজন কৃষি ও মৎস্য চাষি ও একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজেদের পেশার কথা হলফনামায় জানান দিয়েছেন।

বরিশাল-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ব্যবসায়ী, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকান্দার আলী আইনজীবী ও ব্যবসায়ী এবং এনপিপির মো. তুহিন বেসরকারি চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী। বরিশাল-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার মো. ইউনুস আইনজীবী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন রাজনীতিক ও সংসদ সদস্য এবং একই দলের অন্য প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম ঠিকাদারি ব্যবসা, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নকুল কুমার বিশ্বাস পেশাদার সংগীতশিল্পী, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এবং জাতীয় পার্টির অন্য প্রার্থী রজিত কুমার বাড়ৈ পরামর্শক, জাকের পার্টির স্বপন মৃধা ব্যবসায়ী, তৃণমূল বিএনপির মো. শাহজাহান সিরাজ রাজনীতি, এনপিপির সাহেব আলী আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে ফাইয়াজুল হক ব্যবসায়ী ও একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী, মো. মনিরুল ইসলাম ব্যবসায়ী ও একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরদার মো. খালেদ হোসেন ব্যবসায়ী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন রাজনীতিক ও সংসদ সদস্য এবং একই দলের অন্য প্রার্থী টিপু সুলতান আইনজীবী, জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপু ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আজমুল হাসান জিহাদ কবি ও লেখক এবং আইনজীবী, তৃণমূল বিএনপির শাহানাজ হোসেন রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও গৃহিণী, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল হক ব্যবসায়ী ও মো. আতিকুর রহমান ব্যবসায়ী বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। বরিশাল-৪ আসনে পেশা হিসেবে জাতীয় পার্টির মিজানুর রহমান ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের হৃদয় ইসলাম চুন্নু ব্যবসায়ী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী পংকজ নাথ বিহঙ্গ পরিবহনের চেয়ারম্যান হিসেবে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। বরিশাল-৫ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহিদ ফারুক অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তিনটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার, জাকের পার্টির মো. আবুল হোসাইন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, এনপিপির আবদুল হান্নান সিকদার ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিক ও লেখক, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মাহাতাব হোসেন ব্যবসা, স্বতন্ত্র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ মৎস্য চাষ ও রাখি-মালামালের ব্যবসার কথা হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল হাফিজ মল্লিক রাজনীতিক, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী, জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রতœা ব্যবসায়ী, তৃণমূল বিএনপির টিএম জহিরুল হক তুহিন কৃষি ও মৎস্য চাষি, এনপিপির মো. মোশারফ হোসেন বেসরকারি চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কৃষিজীবী, জাসদের মোহম্মদ মোহসীন ঠিকাদারি ব্যবসায়ী, জাকের পার্টির মো. হুমায়ুন কবির সিকদার ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মাইনুল ইসলাম আইনজীবী, স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজিব আহম্মদ তালুকদার ব্যবসা-শিল্পপতি, মো. শাহবাজ মিঞা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, মো. কামরুল ইসলাম খান বেসরকারি চাকরিজীবী ও খান আলতাফ হোসেন আইনজীবী।

খুলনা জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ২৯ প্রার্থীর মধ্যে একজনও পেশায় রাজনীতিক নন। তাদের মধ্যে ১৮ জন ব্যবসায়ী, ৪ জন আইনজীবী, ৩ জন কলেজ শিক্ষক, ১ জন গৃহিণী, ১ জন অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী, ১ জন কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বিক্রয়কারী এবং ১ জন কৃষিপণ্য উৎপাদন এবং বিক্রয়কারী ও ব্যবসায়ী।

রংপুর জেলার ছয়টি আসনের ২৬ জন প্রার্থীই হলফনামায় পেশার বিবরণে ‘ব্যবসা’ লিখেছেন। রংপুর-১ আসনে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে রাজনীতি ও ব্যবসা হিসেবে পেশা উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম রাজু, জাতীয় পার্টির প্রার্থী হোসেন মকবুল শাহরিয়ার, জাতীয় পার্টির বহিষ্কৃত রওশনপন্থি নেতা বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গা, স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাদুজ্জামান বাবলু। স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহিনুর আলম ও মঞ্জুম আলী যুক্তরাজ্য প্রবাসী। আর তৃণমূল বিএনপির বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির হাবিবুর রহমান ব্যবসায়ী এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের শ্যামলী রায় সাংবাদিক। রংপুর-২ আসনে তিন প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী, জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম ম-ল ও জাকের পার্টির আশরাফ উজ জামান পেশা হিসেবে রাজনীতি ও ব্যবসা দেখিয়েছেন। রংপুর-৩ আসনের সাত প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের তুষার কান্তি ম-ল, জাতীয় পার্টির জিএম কাদের, জাসদের সহিদুল ইসলাম পেশা হিসেবে ব্যবসা ও রাজনীতি উল্লেখ করেছেন। জাকের পার্টির লায়লা আনজুমান আরা বেগম রাজনীতি ও গৃহিণী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সফিউল আলম ব্যবসায়ী, বিএসপির আবদুর রহমান রেজু ব্যবসায়ী।

রংপুর-৪ আসনের চার প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের টিপু মুনশি, জাতীয় পার্টির মোস্তফা সেলিম রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের সিরাজুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হাকিবুর রহমান ব্যবসায়ী। রংপুর-৫ আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের রাশেক রহমান, জাতীয় পার্টির আনিছুর রহমান, জাকের পার্টির শামীম মিয়া পেশা হিসেবে রাজনীতি ও ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আবদুল হালিম ম-ল, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মাহবুবুর রহমান, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের এনামুল হক, বিএনএফের আবদুল বাতেনও পেশা হিসেবে ব্যবসা দেখিয়েছেন। রংপুর-৬ আসনে চারজন প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী লীগের শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাতীয় পার্টির নুর আলম মিয়া পেশা হিসেবে রাজনীতি ও ব্যবসা উল্লেখ করেছেন। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) হুমায়ুন ইজাজ স্কুলশিক্ষক ও বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির জাকারিয়া হোসেনও ব্যবসায়ী।

রাজশাহীর ছয়টি আসনে প্রার্থী রয়েছেন ৩৮ জন। এর মধ্যে ব্যবসায়ী ২০, শিক্ষক ৫, চিকিৎসক ২, বেসরকারি চাকরিজীবী ২, গৃহিণী ১, আইনজীবী ৩, কৃষিজীবী ৩, অন্যান্য ২ জন।

(প্রতিবেদনটি তৈরিতে সহায়তা করেছেন রংপুর ও বরিশাল প্রতিনিধি এবং নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা ও রাজশাহী)

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত