জাতীয় সংগীতের শিষ্টাচার

আপডেট : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:০০ এএম

জাতীয় সংগীত গাওয়ার এবং জাতীয় সংগীত যেখানে পরিবেশিত হবে সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের মেনে চলতে হবে কিছু নিয়ম-কানুন। এটি জাতীয় সংগীত বিধিমালা ১৯৭৮ নামে পরিচিত। জাতীয় সংগীতের পুরোটা সব অনুষ্ঠানে গাওয়ার নিয়ম নেই। বিভিন্ন জাতীয় দিবস, যেমন একুশে ফেব্রুয়ারি, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের শুরুতে ও শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণ সংগীত বাজাতে হবে। স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসের প্যারেড অনুষ্ঠানে দুই লাইন শুরুতে বাজাতে হবে। সব বিদ্যালয়ের দিনের কার্যক্রমের আগে গাইতে হবে পুরো জাতীয় সংগীত। সিনেমা হলে সিনেমা প্রদর্শনের আগে দুই লাইন বাজাতে হবে। রেডিও এবং টেলিভিশনের প্রতিদিনের কার্যক্রমের শেষেও দুই লাইন বাজাতে হবে।

জাতীয় সংগীত ভুল গাওয়া যাবে না। সঠিক উচ্চারণে এবং সুরে শুদ্ধ করে গাইতে হবে। গাওয়ার সময় যথাযথ সম্মান দেখাতে হবে। যখন জাতীয় সংগীত বাজানো হয় ও জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করা হয়, তখন উপস্থিত সবাইকে জাতীয় পতাকার দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে। যখন পতাকা প্রদর্শন না করা হয়, তখন সবাইকে বাদক দলের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে হবে এবং কারও মাথায় টুপি থাকলে খুলে ফেলতে হবে। অনেকেই জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় বুকে হাত রেখে গান। এটি ঠিক নয়। জাতীয় সংগীত গাইতে হবে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে। সাধারণ নাগরিকদের বাইরে ডিফেন্স বা প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য জাতীয় সংগীত গাওয়ার নিয়ম পৃথকভাবে বলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত