জাহির ও তার স্ত্রী ছেলের আয় বেড়েছে

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:১৪ এএম

১০ বছরে হবিগঞ্জ-৩ (হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ-লাখাই) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু জাহিরের আয় দ্বিগুণ বাড়লেও স্ত্রী ও পুত্রের আয় বেড়েছে যথাক্রমে ১৫ ও ৫ গুণ। ২০১৪ সালে হলফনামা অনুযায়ী তার স্ত্রীর বাৎসরিক আয় ছিল ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ লাখ ৮ হাজার ৭৯ টাকা। অন্যদিকে তার ছেলের আয় ২০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৩ টাকা।

২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় আবু জাহিরের বাৎসরিক আয় ছিল ১৮ লাখ ১৩ হাজার ৫৩৮ টাকা। দ্বাদশ নির্বাচনের হলফনামায় তার আয় দেখানো হয়েছে ৩৭ লাখ ১৬ হাজার ৯১৬ টাকা। যা দ্বিগুণেরও বেশি। তার নিজের অস্থাবর সম্পত্তি বেড়ে নয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ কোটি ৩০ হাজার ৫৯ টাকা। এর মধ্যে নগদ ৩৩ লাখ ৪১ হাজার ৩৫৩ টাকা, ৩১ ভরি স্বর্ণ, ২টি জিপ ও ১টি মোটরসাইকেল, ২টি ফ্রিজ, ৪টি টেলিভিশন, ১৬টি এসি, ১৬টি সিলিং ফ্যান ও ২টি ফোন রয়েছে। আসবাবপত্র রয়েছে ২৫ লাখ ২৫ হাজার টাকার। স্থাবর সম্পত্তি বেড়েছে পাঁচ গুণ। ১৩ কেদার কৃষি, হবিগঞ্জ ও ঢাকায় ১৭ দশমিক ২০ শতক অকৃষি জমি, হবিগঞ্জে একটি দালান ও ঢাকায় ৪ হাজার ৮৪৪ বর্গফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকে তার হোম লোন রয়েছে ৭২ লাখ ৫৮ হাজার ৮৫৯ টাকা।

আবু জাহিরের স্ত্রীর ব্যবসায় বাৎসরিক আয় ২০১৪ সালে আয় দেখানো হয়েছিল ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা। বর্তমানে ১৫ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭ লাখ ৮ হাজার ৭৯ টাকা। ২০১৪ সালে তার ১৫ ভরি স্বর্ণসহ অস্থাবর সম্পত্তি ছিল ৫৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩৭৭ টাকা। বর্তমানে প্রায় দেড় গুণ বেড়ে হয়েছে ৮৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। ওই সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১টি জিপ গাড়ি, ১০০ ভরি স্বর্ণ, ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী। ২০১৪ সালে স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে ছিল ১৮ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ২২ শতক পুকুর। বর্তমানে ১৫ শতক বোরো জমি, ৩২ শতকের বাড়ি রয়েছে। যার মূল্য ১ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পত্তি প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০১৪ সালে আবু জাহিরের একমাত্র ছেলের বাৎসরিক আয় ছিল ২০ লাখ টাকা। বর্তমানে প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৫৩ টাকা। তার অস্থাবর সম্পত্তি ছিল ১ কোটি ১৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বর্তমানে ৬৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। এ ক্ষেত্রে অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ কমলেও স্থাবর বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ। ২০১৪ সালে তার দাদার দান করা ২০ লাখ মূল্যের দুই কেদার জমি ছিল। বর্তমানে ৪৭ লাখ টাকা মূল্যের চার কেদার কৃষি জমি, ও ৪৮ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ১৩৫ শতক অকৃষি জমি রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত