দাবি পূরণ না হলে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে গার্মেন্ট সেক্টরে শ্রমিক ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সম্মিলিত শ্রমিক পরিষদ (এসএসপি)। যতদিন শ্রমিকদের দাবি পূরণ না হবে ততদিন কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে বলেও জানিয়েছে এসএসপি।
শনিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এসএমপি’র উদ্যোগে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক এ এ এম ফয়েজ হোসেন এ কথা বলেন।
মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে নিহতদের হত্যার বিচার, আহতদের চিকিৎসা, গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি, চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহাল, গার্মেন্টস সেক্টরে ঘোষিত মজুরি বাতিল করে ন্যুনতম মজুরি ২৫ হাজার নির্ধারণের দাবিতে চূড়ান্ত আন্দোলন-সংগ্রাম নিয়ে এ আয়োজিত আলোচনায় এসএসপির প্রধান সমন্বয়ক ফয়েজ হোসেন বলেন, ‘পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দাবি পূরণ না হলে ১ জানুয়ারি থেকে গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিক ধর্মঘট শুরু হবে। কারখানাসমূহ বন্ধ থাকবে যতদিন না দাবি পূরণ হয়।’
তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (রবিবার) থেকে সকল সেক্টরে গণসংযোগ চলবে। সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র, কৃষক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সবার প্রতি আহ্বান ধর্মঘটকে সর্বাত্মক হরতালে পরিণত করে ধর্মঘট সফল করার উদ্যোগ গ্রহণ করুন।’
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘রাজপথে না নামলে দাবি কেউ আদায় করে দেবে না, রাজপথে নামলেই দাবি আদায় সম্ভব। সরকার দাবি আদায়ে আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এ থেকে মুক্তি পেতে সবাইকে এক হয়ে নামতে হবে, নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। রাজপথে না নামলে দাবি কেউ আদায় করে দেবে না, রাজপথে নামলেই দাবি আদায় সম্ভব।’
আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রমুখ।
