ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী বলেছেন, ‘অতীত নির্বাচনেও সাধারণ বিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এটা সাধারণ বিষয়। আমরা মনে করছি নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ভোট করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। তার প্রমাণ সরকারী দলের প্রার্থীদের জরিমানা সহ শোকজ করা। এছাড়াও সকল প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম বহাল হচ্ছে। দেশের ইতিহাসে পরিচ্ছন্নতম নির্বাচন করার সুযোগ এসেছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশী-বিদেশী পর্যবেক্ষকসহ ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলন এমন মন্তব্য করেন তিনি। মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে বেলা ১১ টায় সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান বলেন, এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে প্রায় দুই শতাধিক বিদেশী পর্যবেক্ষক আসবেন। এছাড়াও ১৫টি আন্তর্জাতিক সংগঠন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন বলে আমরা জেনেছি। অতীতের চেয়ে এবারের নির্বাচন স্বচ্ছ করার ও গ্রহণযোগ্য সুযোগ এসেছে। নির্বাচন কমিশন সেই লক্ষ্যে কাজ করছে। ভোটারদের উপস্থিতির উপর নির্ভর করবে এবারের নির্বাচন কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা পাবে। বিদেশী পর্যবেক্ষকরা এই বিষয়টি দেখতেই দেশে আসছেন।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া, ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের পরিচালক সাবেক নির্বাচন কমিশনার মো: শাহ নেওয়াজ, ডুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাবিবুর রহমান, বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খাঁন, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. মাহফুজুল ইসলাম, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. আহমেদ আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ ইকবাল বাহার ও ড. আজাদুল হক।
